নাদিম হোসেন খানঁ, চরফ্যাশন-ভোলা প্রতিনিধি
দ্বীপ ভোলা জেলার নয়না বিরাম প্রকৃতির অপরুপ সৌন্দর্য সাগর বেষ্টিত দক্ষিণ বাংলার নতুন দিগন্ত পর্যটন নগরী চরফ্যাশন ।
চরফ্যাশন টাওয়ার, ফ্যাসন স্কয়ার, বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক, শিশু পার্ক, বিছিন্ন দ্বীপ, চর কুকরি-মুকরি ও ঢালচরের তারুয়ার চর। এই সকল চরাঞ্চল ভ্রমনে এবং আপনার ভ্রমন প্রানবন্ত করবে
চর কুকরি-মুকরি: চর কুকরি-মুকরি বন্যপ্রাণ অভয়ারণ্য সংরক্ষিত বনাঞ্চল বঙ্গোপসাগরের মেঘনা ও তেতুলিয়া মোহনায় কয়েকশ বছর আগে জেগে ওঠা চর এই বনভূমির অবস্থান। এ বনে রয়েছে হাজারেরও বেশি হরিণ। এ ছাড়া রয়েছে অতিথি পাখি, লাল কাঁকড়া, বুনো মহিষ,বানর, বনবিড়াল, উদবিড়াল, শেয়াল, বনমোরগসহ নানা প্রজাতির বন্য প্রাণী।
মেঘনার বিশাল বুক থেকে বয়ে গিয়ে খালটি পড়েছে বঙ্গোপসাগরে। এখানকার ধু-ধু বালিয়াড়ির ওপর দাঁড়ালে সাগরের শোঁ শোঁ শব্দ ছাড়া আর কিছুই শোনা যাবে না। একটু সামনে এগোলেই বঙ্গোপসাগর। এখানে উত্তাল ঢেউয়ের আছড়ে পড়া দেখলেই মনে পড়ে যাবে কক্সবাজার কিংবা কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের ও সুন্দরবনের কথা। স্থানীয় মানুষ এ স্পটটিকে বালুর ধুম নামে ডাকে। তবে কুকরি মুকরির প্রধান আকর্ষণ সাগরপাড়। এখানে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত কিংবা সূর্য ডোবার দৃশ্য ভ্রমণপিপাসুদের মুগ্ধ করবে। চর কুকরি মুকরির এ সৌন্দর্য খুব টানে পর্যটকদের।
খাবার: মেঘনার নদীর টাটকা ইলিশ, বোয়াল, কোরাল এবং গলদা চিংড়ি ইত্যাদি। এখানে হাঁসের মাংস ভূনা খুবই জনপ্রিয়। এছাড়াও মহিষের দুধের দধি, ইলিশ,কোরাল, বোয়াল ও গলদা চিংড়ি বেশ পরিচিতি। এই শহরে দু’কদম হাটলেই বিভিন্ন রেষ্টুরেন্ট,ক্যাফে,হোটেলে খাবার জুটবে।
চরফ্যাশন টাওয়ার: চরফ্যাশন টাওয়ারটি লিফট সংযুক্ত টাওয়ারে উচ্চ ক্ষমতার বাইনোকুলার রয়েছে। যাতে ১০০ বর্গকিলোমিটার এলাকার সবকিছু অনায়াসে দেখা যায়। প্রায় ৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৮তলা বিশিষ্ট দৃষ্টিনন্দন টাওয়ারটি পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে। আধুনিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে পর্যটকদের কাছে আরো আকর্ষণীয় করে তুলতে চরফ্যাশনে দৃষ্টিনন্দন টাওয়ারটি নির্মাণ করা হয়েছে।
বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক: পর্যটনকেন্দ্র চরফ্যাশন উপজেলার উত্তাল মেঘনার কোল ঘেষে তৈরি হয়েছে প্রকৃতির এক অপরুপ “বেতুয়া প্রশান্তি পার্ক”।
ভৌগলিক অবস্থান, প্রাকৃতিক সুন্দর, নদী বেস্টিত এবং সাগরের নৈকট্য এক ভিন্নরকম সৌন্দর্যের স্বাদ দেবে ভ্রমণ পিপাসুদের। ইতোমধ্যে এখানকার নতুন জেগে ওঠা চরগুলো প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছে। এখানে আসলে চোখ বুঝে একবার গায়ে সামুদ্রিক ফ্রেশ বাতাস মাখার জন্য এবং মনকে প্রশান্তির পরশ দিতে ছুটে আসেন প্রশান্ত পার্কে ৷ এখানে বসে সূর্যোদয়ের দৃশ্য, মেঘনা নদীর মন মাতানো ঢেউয়ের খেলা, নদীর পাড়ের অন্যরকম দৃশ্য, মেঘনা নদীতে জেলেরা ইলিশ মাছ শিকারের দৃশ্য আর রাতের আঁধারে মনোরম আলোক সজ্জার দৃশ্য দেখে মন
যাতায়াত ব্যবস্থা: সবচেয়ে সহজ উপায় হলো নদী পথে যাতায়াত করা। ঢাকার সদরঘাট থেকে লঞ্চে করে বেতুয়া অথবা গোষের হাট লঞ্চঘাট।
















