নিজস্ব প্রতিবেদক
কোচ কাঞ্চনের পাগলাপ্রেনার মহাসম্মেলনে যোগ দিতে নিবন্ধন করেছেন ১ লাখের বেশি মানুষ। শনিবার রাত ৮টায় দেশের নানা প্রান্ত থেকে লাইভ অনলাইনে তারা অংশগ্রহণ করেন। উদ্যোক্তা ছাড়াও নিবন্ধনকারীদের মধ্যে রয়েছে কর্পোরেট প্রফশনালস, শিক্ষক, লেখক, আর্টিস্ট, গায়ক, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, আইনজীবী, গৃহিণী ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। এই মহাসম্মেলনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন কোচ কাঞ্চন, যিনি বাংলাদেশের ১ম আন্তর্জাতিকভাবে সার্টিফাইড হ্যাপিনেস কোচ, বেস্টসেলার লেখক এবং পাগলাপ্রেনার মুভমেন্ট (PaglaPreneur Movement)–এর প্রবর্তক।
পাগল ছাড়া দুনিয়া চলে না। এই লাইনটাই যেন বাস্তবতা পেতে যাচ্ছে কোচ কাঞ্চনের এই আয়োজনে। ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, শনিবার—বাংলাদেশের উদ্যোক্তা ও ইনোভেটিভ মানুষের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত হবে পাগলাপ্রেনার মহাসম্মেলন–এর মাধ্যমে।
কোচ কাঞ্চন এই আয়োজনে পাগলা আইডেন্টিটিকে একটি বিপ্লব হিসেবে ঘোষণা করেন। এতদিন যাদের পাগল বলে দমিয়ে রাখা হত। তারা এখন এই শব্দটাই নিজেদের শক্তি হিসেবে ব্যবহার করবে। পাগলাপ্রেনার মানে শুধু পাগলামী নয়, এটি বিশ্বকে পজিটিভলি পাল্টে দেয়ার অবশেসন। পাগলাপ্রেনার হলেন সেই ব্যক্তি, যিনি নিজের পাগলাটে বা অদ্ভুত আইডিয়াকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য জানপ্রাণ দিয়ে লড়ে যান।
কোচ কাঞ্চন এর মতে দুনিয়া বদলে দেয়া প্রতিটা মানুষই ছিলেন পাগল। আইনস্টাইন, এডিসন, নেলসন ম্যান্ডেলা, স্টিভ জবস থেকে আজকের এলন মাস্ক কিংবা রিচার্ড ব্রানসন সবাই তাদের পাগলামি দিয়েই বিশ্বে ইমপ্যাক্ট তৈরি করেছেন।
পাগল’ এবং ‘এন্ট্রাপ্রেনিউর’ শব্দের ফিউশনে কোচ কাঞ্চন এই শব্দটি তৈরি করেন। পাগলাপ্রেনার মানে শুধু উদ্যোক্তা নয়। পাগলাপ্রেনার হতে পারে একজন ডাক্তার, যে প্রথাগত চেম্বারের চিন্তা ছেড়ে গ্রামের মানুষের জন্য ফ্রি ক্লিনিক খোলেন। পাগলাপ্রেনার হতে পারে একজন শিক্ষক, যে সেকেলে স্কুল সিস্টেমকে চ্যালেঞ্জ করে তার ছাত্রদের ‘আউট অফ দ্য বক্স’ চিন্তা করতে শেখায়। পাগলাপ্রেনার হতে পারে একজন গায়ক, যে সস্তার জনপ্রিয়তার পেছনে না ছুটে নিজের মৌলিক ধরণ তৈরি করে পৃথিবীকে তাক লাগিয়ে দেয়। এমনকি পাগলাপ্রেনার হতে পারে সেই মা, যে তার সন্তানকে জিপিএ-৫ পাওয়ার প্রতিযোগিতায় না নামিয়ে একজন ‘সোলফুল মানুষ’ হিসেবে বড় করার সাহস দেখায়। পাগলাপ্রেনার মানে যে অন্যকে জিতানোর জন্য নিজেকে উজার করে দেন।
















