জুনায়েদ শাহিন :
আবাসন ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন রিয়েল এস্টেট অ্যান্ড হাউজিং অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (রিহ্যাব)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদি পরিচালনা পর্ষদ গঠনের লক্ষ্যে আগামী ১৮ এপ্রিল নির্বাচন হচ্ছে। এবারের নির্বাচনে সভাপতি, প্রথম সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতি এবং পরিচালকসহ সব কটি পদেই সদস্যরা সরাসরি ভোটের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করবেন। নির্বাচনের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে রিহ্যাব নির্বাচন বোর্ড। স্বচ্ছ ব্যালট প্রক্রিয়ায় নেতৃত্ব নির্বাচনে প্রয়োজনীয় সকল প্রস্তুতি গ্রহণ করা হচ্ছে। এ নির্বাচনে পরিচালনা পর্ষদের মোট ২৯টি পদের বিপরীতে জাগরণ প্যানেল, আবাসন ঐক্য পরিষদ ও হৃদয়ে বাংলাদেশ এই তিনটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। এরমধ্যে জাগরণ প্যানেল থেকে পরিচালক পদে নির্বাচন করছেন রিসোর্স রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যান আলী হোসেন। তার সাথে এ পদে আরো ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। আলী হোসেন জানান, তিনি ও তার প্যানেল নির্বাচিত হলে আবাসন খাতকে এগিয়ে নিতে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে। এছাড়া, রিহ্যাবের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা, সদস্যদের কল্যাণে কার্যকর বাজেট পরিকল্পনা গ্রহণ এবং আবাসন খাতের টেকসই উন্নয়নে কাজ করবেন। তিনি বলেন, সংগঠনের আর্থিক কাঠামো আরও সুসংগঠিত করতে এবং সদস্যদের স্বার্থরক্ষায় কার্যকর উদ্যোগ নেওয়াসহ নানা পরিকল্পনা রয়েছে।
ব্যবসা পরিচালনায় রিসোর্স রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যান আলী হোসেন ৩০ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে আবাসন খাতের সঙ্গে সম্পৃক্ত নিজেকে একজন সৎ, দক্ষ ও দূরদর্শী সংগঠক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তিনি। তার ভাষ্য, স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও উদ্ভাবনী চিন্তার সমন্বয় একটি শিল্পখাতকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। রিহ্যাব নির্বাচনে তাঁর ব্যালট নম্বর-৬৫। তিনি সদস্যদের সমর্থন, ভোট ও দোয়া কামনা করেছেন।
নির্বাচনি ভাবনা তুলে ধরে আলী হোসেন আরো বলেন, বর্তমান সময়ের ডিটেইল এরিয়া প্ল্যান (ড্যাপ) সংক্রান্ত জটিলতা পুরো আবাসন খাতকে চাপে ফেলেছে। এর প্রভাব শুধু ব্যবসায়ীদের ওপর নয়, সাধারণ মানুষের ওপরও পড়ছে। নির্বাচিত হলে আমাদের প্যানেল সরকারের সাথে ফলপ্রসূ আলোচনার মাধ্যমে এই জটিলতা নিরসন এবং আবাসন খাতকে আরো বিনিয়োগবান্ধব ও শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যাওয়া তার ও প্যানেলের প্রধান লক্ষ্য বলে মনে করেন তিনি।
উল্লেখ্য, সংগঠনের ২২ জন পরিচালক নির্বাচনের ক্ষেত্রে ঢাকা থেকে ২০টি পদের জন্য ৩৯ জন এবং চট্টগ্রাম থেকে দুটি পদের জন্য ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। এবারের নির্বাচনে ভোটার হিসেবে ঢাকা থেকে ৪৬১ জন এবং চট্টগ্রাম থেকে ৫৮ জন সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাবেন। এর ফলে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই নির্বাচনের মাধ্যমে সদস্যরা সরাসরি তাদের পছন্দের নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন, যা সংগঠনের ভবিষ্যৎ কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে।
















