বঙ্গবন্ধু সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় টোল আদায় ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা

টাঙ্গাইলের যমুনা নদীর উপর নির্মিত বঙ্গবন্ধু সেতু উত্তরবঙ্গগামীদের পারাপারের একমাত্র প্রবেশদ্বার। এ সেতু দিয়ে গেল ২৪ ঘণ্টায় ৩৩ হাজার ৫৩টি যানবাহন পারাপার হয়। এতে টোল আদায় হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ ২৯ হাজার ৫০০ টাকা।

বঙ্গবন্ধু সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, গাড়ির চাপ ধীরে ধীরে বাড়ছে। সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম পাড়ে টোলপ্লাজার উভয় পাশে ১৮টি পয়েন্টে টোল আদায় করা হচ্ছে। সড়কে যাতে যানজটের সৃষ্টি না হয় সে লক্ষ্যে এ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সেতু চালু হওয়ার পর গেল ঈদে সর্বোচ্চ ৫২ হাজার ৭৬৮টি যানবাহন পারাপার হয়। যা এ যাবতকালে সর্বোচ্চ যানবাহন পারাপারের রেকর্ড।

এদিকে, টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে গেল রাত থেকে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। ক্রমেই তা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ। সড়কের চারটি সেক্টরে ভাগ হয়ে বিভিন্ন পয়েন্টে কাজ করছেন তারা।

এ ব্যাপারে এলেঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আতাউর রহমান জানান, গাড়ির চাপ আস্তে আস্তে বাড়ছে। তবে কোথাও যানবাহন চলাচল থেমে নেই। সড়কে কাজ করে যাচ্ছে পুলিশ।

এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ঈদে ঘরমুখী মানুষের চাপ বেড়েই চলছে। শুক্রবার সকাল থেকেই এ মহাসড়কে যানবাহনের সংখ্যা বেড়ে গেছে। বাস, ব্যক্তিগত গাড়ি ছাড়াও মানুষ ঝুঁকি নিয়ে মোটরসাইকেল, পিকআপভ্যান, ট্রাক ও বাসের ছাদে করে বাড়ি যাচ্ছেন।

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দেড় ঘণ্টা মহাসড়কের মির্জাপুর থেকে সীমান্তবর্তী স্কয়ার এলাকা পর্যন্ত ১০ কিলোমিটার এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, রাস্তায় ঘরমুখী মানুষের চাপ অনেক বেশি। স্বাভাবিক সময়ে যেখানে প্রতি মিনিটে ১০-১২টি গাড়ি উভয়মুখী লেনে চলাচল করে। সেখানে আজ ২৫-৩০টি যানবাহন চলছে। কোনো কোনো সময় বেড়েও যাচ্ছে। কাজ শেষ না হলেও ঈদ উপলক্ষে খুলে দেওয়া হয়েছে মহাসড়কের গোড়াই উড়াল সড়ক। খুলে দেওয়ার আগে যানবাহন চালকদের শঙ্কা ছিল ঈদের সময় যানজট হবে। তবে আজ সেখানে নির্বিঘ্নে যানবাহন চলছে।

Facebook Comments Box