নিজস্ব প্রতিবেদক
ইসলামী সমাজ ব্যবস্থায় ইমাম ও খতিবগণ কেবল নামাজের নেতৃত্বদানকারীই নন; বরং তাঁরা হলেন সমাজের নৈতিক দিশারি, আত্মিক পথপ্রদর্শক এবং সংস্কার আন্দোলনের পুরোভাগের নেতৃত্বদানকারী।বর্তমান সময়ে সমাজে যে নৈতিক অবক্ষয়, পারিবারিক টানাপোড়েন, ধর্মীয় বিভ্রান্তি এবং সামাজিক অনৈক্য দেখা যাচ্ছে, তা প্রতিরোধে ইমাম ও খতিবদের সুদৃঢ় ভূমিকা পালন করা অপরিহার্য। তাঁরা প্রতিদিন মসজিদের মাধ্যমে মানুষের হৃদয়ে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করেন, যা দাওয়াত, শিক্ষা ও সমাজগঠনের অন্যতম কার্যকর মাধ্যম। সোমবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে পল্টন সেগুনবাগিচা ইমাম খতিব পরিষদের কাউন্সিল ও নসিহা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। পরিষদের সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানীর সভাপতিত্বে ও পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুফতি জুবায়ের রশিদের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।
এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন হেফাজত ইসলাম বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা মহিউদ্দীন রব্বানী। আরো বক্তব্য রাখেন, জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের পেশ ইমাম মুফতি মুহিবুল্লাহিল বাকী আন নদভী,মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা রুহুল আমিন সাদী,ড.মুফতি জাকারিয়া নুর, মুফতি ইমরানুল বারী সিরাজী, মুফতি তাওহিদুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, এই মহান দায়িত্বের যথাযথ বাস্তবায়নের জন্য একটি শক্তিশালী সংগঠন প্রয়োজন, যা ইমাম-খতিবদের অধিকার রক্ষা, প্রশিক্ষণ প্রদান, নীতিগত দিকনির্দেশনা ও ঐক্যবদ্ধ কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করবে। ইমাম-খতিবদের সংগঠনের প্রয়োজনীয়তার বিষয়ে বক্তারা বলেন,ধর্মীয় অপপ্রচার ও বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে সম্মিলিত অবস্থান জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে ইমামদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদা রক্ষা করার জন্য এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সঠিক আকিদার প্রচারে ঐক্যবদ্ধ প্রয়াসের জন্যই ঐক্যবদ্ধ প্লাটফর্ম। দেশের প্রতিটি মসজিদের ইমাম-খতিবদের একটি শক্তিশালী, ঐক্যবদ্ধ ও মূলনীতি ভিত্তিক সংগঠন গঠন সময়ের দাবি। উল্লেখ্য ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি ঘোষণা করেন পুরানা পল্টন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মাওলানা ড.আবদুর রশিদ। সভাপতি মাওলানা আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী,কার্যকরী সভাপতি মুফতি তাওহিদুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মুফতি জুবায়ের রশীদ নির্বাচিত।
















