সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসের প্রতিষ্ঠান দেখে না, আন্তর্জাতিক মূল্য তুলনা করে এলএনজি কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, চীন, কাতার, সৌদি আরব যে দেশই হোক; দাম তুলনা করে কিনছি।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান অর্থ উপদেষ্টা।
সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি আমদানি চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জি আগামী ১৫ বছরে ধাপে ধাপে ১ লাখ কোটি টাকার এলএনজি সরবরাহ করবে বাংলাদেশকে। ঢাকায় রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব ছাড়ার পর ওই প্রতিষ্ঠানের স্ট্র্যাটেজিক অ্যাডভাইজর হিসেবে কাজ করছেন পিটার হাস।
এক প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, আমদানি শুল্ক বাড়বে কি না এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ওপর নির্ভর করবে।
ঘাটতি পূরণে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা কমফোর্টেবল অবস্থানে আছি। কিছু পণ্যে আমদানি মূল্যে বাড়তি খরচ হতে পারে, যেমন গম, তবে মান ভালো এবং ঘাটতি কমানো সম্ভব।
‘ভোক্তাদের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। আমরা ইতোমধ্যেই মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও ভর্তুকি দিয়ে দিচ্ছি। পাইকারি ও খুচরা বাজারে কিছু চ্যালেঞ্জ থাকলেও সার্বিকভাবে মূল্যস্ফীতি স্থিতিশীল রয়েছে।
ট্যাক্স ব্যবস্থাকে সহজ করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়ে সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, বেসরকারি খাতে কাজের সুযোগ নিয়ন্ত্রণে থাকা বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যবসা-বাণিজ্য মন্থর হলে প্রভাব পড়ে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছে। ট্যাক্স ব্যবস্থাকে সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে আইনজীবীরা দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে পারেন।















