বিশ্বময় বাংলা গান ছড়িয়ে দিতে চাই, কণ্ঠশিল্পী জেমি

বিনোদন রিপোর্টঃ

সংগীত আমার রক্তে মিশে আছে, ছোটবেলা থেকেই আমার সংগীতের প্রতি ছিল প্রচন্ড ঝোঁক। তাই যতদিন বেঁচে আছি সংগীতের সাথেই আছি, বিশ্বময় বাংলা গান ছড়িয়ে দিতে চাই।

কথাগুলো সময়ের জনপ্রিয় ও প্রতিভাবান কণ্ঠশিল্পী জেমির। যিনি ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন সংগীত প্রতিযোগিতায় তার কন্ঠের জাদুতে সুনামের সাথে উত্তীর্ণ সহ প্রতিভার সাক্ষর রেখেছেন।

এছাড়া বর্তমানে স্টেজ শো, বিভিন্ন টেলিভিশনে লাইভ প্রোগ্রাম সহ নিজের মৌলিক গান নিয়ে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন এই কণ্ঠশিল্পী।

কণ্ঠশিল্পী জেমির পুরো নাম জোহরা হোসাইন জেমি। তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া উপজেলায়।

মাত্র ৪ বছর বয়সে জেমির প্রথম সংগীতে হাতেখড়ি হয় তার বাবার কাছে, পরবর্তীতে ওস্তাদ হীরেন দাসের কাছে ক্লাসিকাল শিখেন তিনি,এছাড়া ২০১৪ইং সাল থেকে সংগীতগুরু সুজিত মোস্তফা স্যারের কাছে নজরুল সঙ্গীতে তালিম নেন।

জেমি চ্যানেল আই আয়োজিত রিয়েলিটি শো সেরাকন্ঠ ২০১৪তে সেরা ১৪ জনের একজন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন। এর আগে তিনি শাপলা কুঁড়ি প্রতিযোগিতা ও নতুন কুঁড়ি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে সেরা কন্ঠশিল্পী হিসেবে কৃতিত্ব অর্জন করেন।

২০২৫ইং সালে ‘বন্ধু কালা চাঁন’ শিরোনামের মৌলিক গান দিয়ে সঙ্গীতাঙ্গনে যাত্রা করেন জেমি, গানটি লিখেছেন আজমল পলাশ এবং সুর ও সঙ্গীত করেছেন হৃদয় হাসিন।

পরবর্তীতে তার কন্ঠে তুমি স্বার্থপর, শয়তানি বেইমানি, বাংলা আমার মায়ের ভাষা সহ বেশ কয়েকটি মৌলিক গান বাজারে প্রকাশিত হয়।

জেমি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমী ও বাংলাদেশ বেতারে তালিকা ভুক্ত শিল্পী হিসেবে নিয়মিত গান করেন।

জেমি ২০১৭ সালে বেঙ্গল ক্লাসিক্যাল ফেস্টিভালে অংশগ্রহণ করেন। তিনি একাধারে একজন ক্লাসিক্যাল,আধুনিক, লোকগান ও নজরুল সংগীতে পারদর্শী।

শিক্ষা জীবনে তিনি সরকারি সংগীত কলেজ থেকে লোকসংগীত বিভাগে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন।

সংগীতে বিশেষ অবদান রাখায় তিনি ‘৭১ মিডিয়া আইকনিক অ্যাওয়ার্ড ২০২৫- সম্মাননা’ পদক অর্জন করেন।

বর্তমানে তার হাতে থাকা অপ্রকাশিত গানের তালিকায় রয়েছে তিনটি মৌলিক গান। গানগুলো খুব শীঘ্রই মিউজিক ভিডিও আকারে প্রকাশিত হবে এমনটাই জানিয়েছেন এই শিল্পী।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন ছিল আমি একজন সত্যিকারের সঙ্গীত শিল্পী হবো, সে প্রত্যয়ে ছোটবেলা থেকে সংগীত সাধনা করে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, সংগীতে আমার এ পর্যন্ত আসার পেছনে আমার বাবা-মা ও শিক্ষাগুরুসহ পরিবারের সবার ভালোবাসা ও উৎসাহ পেয়েছি। সবার ভালোবাসা ও দোয়া নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই।

Facebook Comments Box