সরকার নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচনে যেকোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার মাত্র ১০০ দিনের কিছু বেশি সময় ধরে দায়িত্ব পালন করছে। তবে আমাদের লক্ষ্য ও আঙ্খাকা অত্যন্ত সুদৃঢ়। আমরা বাংলাদেশকে একটি স্বনির্ভর, স্থিতিশীল ও শিল্পোন্নত দেশে পরিণত করতে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক সমৃদ্ধি ও মর্যাদার ন্যায্য অধিকার ভোগ করবে।
শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) আয়োজিত ‘বাণিজ্য, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক কূটনৈতিক কর্মপরিকল্পনা’ শীর্ষক সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, এই সেশনের প্রতিপাদ্য হলো-ঝুঁকি মোকাবিলা, স্থিতিস্থাপকতাকে কাজে লাগানো এবং নতুন উদ্যম ও সঠিক দিকনির্দেশনা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া। আমি বিশ্বাস করি, এটি আমাদের ভবিষ্যৎ বিনির্মাণের মানসিকতাকেই ধারণ করে। মির্জা ফখরুল বলেন, এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে সরকার নতুন সম্ভাবনার জন্য যেকোনো কিছু করতে প্রস্তুত। আমি আজ এখানে কোনো প্যানেল আলোচক হিসেবে আসিনি; বরং আমাদের মূল লক্ষ্য অর্জনে সরকারের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার তুলে ধরতেই এসেছি।
সম্মেলনে বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বলেন, গত কয়েক মাসে আমাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো-আমরা আমাদের দেশকে ফিরে পেয়েছি। আমরা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের মৌলিক ভিত্তিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছি।
তিনি বলেন, দেশে একটি উৎসবমুখর, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আমার হাতে এখনও ভোট দেওয়ার চিহ্ন রয়েছে। আমি আশা করি, আপনারাও নির্বাচন প্রক্রিয়াটি উপভোগ করেছেন। এই নির্বাচন আমাদের দেশের জন্য একটি নতুন ভিত্তি ও দিকনির্দেশনা নির্ধারণ করেছে।
আশিক চৌধুরী আরও বলেন, আমরা সবসময় নীতির ধারাবাহিকতা ও স্থিতিশীলতার কথা বলেছি। বাংলাদেশ কিংবা বিশ্বের যেকোনো দেশের বিনিয়োগকারীর কাছে এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি। বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল বিপুল জনসমর্থন নিয়ে সরকার গঠন করেছে। তারা শুধু ভোটের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসেনি, বরং জনগণের প্রত্যাশা পূরণের দায়িত্বও তাদের ওপর বর্তেছে। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
















