নিজস্ব প্রতিবেদক
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় প্রচার-প্রচারণা ও গণসংযোগ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। নির্বাচনের দিনক্ষণ যত ঘনিয়ে আসছে ততই প্রার্থী ও ভোটারদের মাঝে উৎসাহ-উদ্দীপনা বেড়েই চলছে। এরই ধারাবাহিকতায় প্রচারণায় থেমে নেই দেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী বিএনপি। আর এই নির্বাচনটি বিএনপি বড় চ্যালেঞ্জ মনে করছেন। এ জন্য প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ে কাজ করছে দলটি। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষণা করেন হয় পদ না হয় এমপি। এই বক্তব্য থেকে স্পষ্ট যে নেতা দলের শীর্ষ পদে থাকবে সে নেতাকে এমপি বা চোয়ারম্যান মনোনয়ন প্রদান করবে না দল। বিগত দিনে দলের ত্যাগী, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার, সৎ-আদর্শবান, ন্যায় প্রতিষ্ঠাকারী, সাধারণ মানুষসহ সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য এবং ক্লিন ইমেজের ব্যক্তিদেরকে মনোনয়ন প্রদান করবেন। এ লক্ষ্যে আগামী নির্বাচনে ক্লিন ইমেজের প্রার্থী খুঁজতে দেশের প্রতিটি আসনে মাঠ পর্যায়ে প্রার্থীতা জরিপ ও বায়োডাটা সংগ্রহ করছে বিএনপি।
এরই ন্যায় নীলফামারী-২ (সদর) আসনও তার ব্যতিক্রম নয়। জেলার রাজনৈতিক একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন এই নীলফামারী সদর এই এলাকার মানুষের প্রাণের দাবী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান চুলচেড়া বিশ্লেষণ করে সৎ, যোগ্য, দুর্বৃত্তপরায়ণমুক্ত ও সবচেয়ে জনসমর্থিত ব্যক্তিকে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দিবেন। এদিকে এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী মোহাম্মদ কাবেরুল ইসলাম লিটন (লিটু) সাধারণ মানুষের কাছে ক্লিন ইমেজের ব্যক্তি হিসেবে সুনাম অর্জন করেছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর নীলফামারী সদর আসনটি আওয়ামী লীগের দখলে ছিল। বিএনপি নেতাকর্মীরা কেউ সুখে শান্তিতে বসবাস করতে পারেনি। সমৃদ্ধ স্বনির্ভর ও দুর্বৃত্তপরায়ণমুক্ত নীলফামারী গড়ার লক্ষ্যে সৎ ও ক্লিন ইমেজের মানুষ মোহাম্মদ কাবেরুল ইসলাম লিটনকে এমপি পদে মনোনয়ন দিলে বিএনপি এই আসনটি খুব সহজেই ফিরে পাবে।
বিগত আওয়ামীলীগের ফ্যাসিজমের শিকার হয় লিটন, তৎকালীন সময় তারেক রহমানের নির্দেশে দেশ ত্যাগ করে আমেরিকায় পাড়ি জমান এক সময়ের ত্যাগী এই নেতা। করোনা কালীন সময়ে আমেরিকায় থেকে নীলফামারী সদর আসনের মানুষের জন্য ঘরে ঘরে চিকিৎসা সেবা এবং গরীব অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, মানবতার ফেরিওয়ালা মোহাম্মদ কাবেরুল ইসলাম লিটন ইতোমধ্যে সর্বস্তরের মানুষের হৃদয়ের স্পন্দনে জায়গা করে নিয়েছেন। তিনি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও দুর্বৃত্তপরায়ণমুক্ত নীলফামারী গড়ার লক্ষ্যে আলোকিত হয়ে উঠছেন। জাতীয়তাবাদী প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে দলের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন লিটন।
ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে অদ্যাবধি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নীতি ও আদর্শে বিশ্বাসী। বিগত স্বৈরাচার সরকারের আমলে তাকে এবং তার পরিবারকে নাজেহালের শিকার হতে হয়েছে। স্বৈরাচার সরকারের আমলে পুরো আন্দোলনের সময় নিহত, আহত, জেল, জুলুম, মামলা, হামলায় দলের সমর্থিতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাদের পরিবারের সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর রেখেছেন। বিগত ৩৪ বছর যাবত তার নির্বাচনী এলাকায় ফ্রি চিকিৎসা প্রদান এবং দুঃস্থ মানুষের পাশে থেকে নিরবে নিভৃতে সেবা করে যাচ্ছেন। সেবা প্রদানে অনেকের চাকরির ব্যবস্থাও করে দিয়েছেন নন্দিত এই নেতা।
বিএনপির মনোনয়ন প্রার্থী মোহাম্মদ কাবেরুল ইসলাম লিটন এ প্রতিবেদককে বলেন, আমার পরিচিতি এবং রাজনৈতিক পদচারণায় আমি দাবী করতে পারি যে, আমি বিএনপির একজন নিবেদিত কর্মী। দেশ ও দলের ক্রান্তিলগ্নে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সৈনিক হয়ে সেবাব্রত মন নিয়ে নীলফামারী সদর আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী আমি।
তিনি আরও বলেন, তারুণ্যের গর্ব বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঘোষিত রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশ তথা দলের ক্রান্তিলগ্নে সময়োপযোগী ও যুগান্তকারী ঘোষণা। এটা শুধু মাত্র কোন দল, ব্যক্তি বা কোন গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এই ঘোষণার বাস্তবায়িত হলে বহুল কাঙ্খীত সকল জনগোষ্ঠীর চাওয়া পাওয়ার প্রতিফলন ঘটবে। জনসাধারণের মৌলিক চাহিদা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও পরিবেশ বান্ধব সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হবে। ছাত্র সমাজ, যুব সমাজ, নারী সমাজ, পেশাজীবি, প্রবাসী এবং সর্বোপরি আপামর জনসাধারণের চাহিদা মেটানোর সদিচ্ছা এবং তা বাস্তবায়নে আন্তরিক ভূমিকা রাখাই ৩১ দফা বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি।
















