দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্তিতে সংবাদ সম্মেলনে আতিকুল
উত্তর সিটির জলাবদ্ধতার ১৪২ হটস্পট থেকে ৪২টিতে নেমে এসেছে

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, আমি দুইবছর আগে দায়িত্ব গ্রহণের সময় ডিএনসিসি এলাকায় জলাবদ্ধতার ১৪২টি হটস্পট ছিল, গতবছর সেটি ছিল ১০১টি এবং এবছর সেটিক ৪২টিতে নেমে এসেছে। পর্যায়ক্রমে এটি শূণ্যে নেমে আসবে। ফলে রাজধানীর জলাবদ্ধতা এক সময় আর থাকবে না। শনিবার রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবন এর প্রধান কার্যালয়ের হল রুমে মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের দুই বছর পূর্তিতে ‘মিট দি প্রেস’ অনুষ্ঠানে আতিকুল ইসলাম এসব কথা বলেন।

গত দুই বছরের ডিএনসিসি কার্যক্রমের সন্তুষ্টির বিষয়টি আমি জনগণের কাছে ছেড়ে দিয়েছে উল্লেখ করে মেয়র আরো বলেন, এ বিষয়ে সন্তুষ্টির বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিবেন আমার নগরবাসী। মেয়র বলেন, এবছর দ্রুত সময়ে জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে আমরা দশটি অঞ্চলের জন্য দশটি Quick Response Team (QRT) গঠন করেছি। তারা প্রয়োজনীয় পানি অপসারণের যন্ত্র নিয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে কাজ করবে। ০৯৬০২২২২৩৩৩ এবং ০৯৬০২২২২৩৩৪ এই দুটি হট লাইন নম্বরে ফোন করে অথবা সবার ঢাকা অ্যাপের মাধ্যমে জলাবদ্ধতার বিষয়ে জানানো যাবে এবং তাৎক্ষনিক Quick Response Team পৌছে যাবে।

যানজট নিরসনে শহরের প্রতিটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের আসা-যাওয়ার জন্য স্কুল বাসের ব্যবস্থা করার বিষয়ে পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে জানিয়ে আতিকুল ইসলাম বলেন, আমি শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং স্কুল কর্তৃপক্ষের সাথে দ্রুত বিষয়টি নিয়ে আলাপ করে ব্যবস্থা নিব।
রাজধানীর যানজট নিরসনে ডিএনসিসি যে ১১টি ইউলুপ নির্মাণ করেছে, তার সুফল মিলছে না কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইউলুপ নির্মাণের পরিকল্পনা বা প্রকল্পটি ডিএনসিসির প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের ছিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছি। কিন্তু সড়ক পর্যাপ্ত চওড়া না হওয়ায় এই ইউলুপগুলো কাজে আসেনি। বিশেষ করে বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি সংশগ্ন একটি ইউলুপ এবং মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকার ইউলুপটি সুফল মিলেনি। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন ইউলুপটি কাজে না আসার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ সড়কের জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে সেতু ভবন ও বিআরটিএ ভবন। এখন এই দুটি ভবনের জন্য সড়কটি চওড়া করা যাচ্ছে। ফলে ইউলুপ করার পরও গাড়ি ঘুরতে পারছে না। মহাখালী উড়াল সড়কে গাড়ি উঠতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আমি সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করবো, দ্রুত সময়ের মধ্যে নিজ উদ্যোগ ভবন দুটি ভেঙে ফেলার জন্য। এই শহরের পরিবেশ বা নাগরিকদের সুবিধার্থে কারওয়ান বাজারে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা যেতে পারলে এই দুটি ভবন কেন ভাঙা যাবে না বলে প্রশ্ন রাখেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, আগে বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় প্রচুর গাছ ছিল। হাটাচলার জন্য চওড়া ফুটপাত বা বেড়ানোর জন্য ফাঁকা জায়গা ছিল। এখন সেই খালি জায়গা আর নেই। সেতু কর্তৃপক্ষ সেখানে অপরিকল্পিতভাবে কংক্রিটের বহুতল স্থাপনা তৈরি করেছেন। মানুষের অক্সিজেন নেওয়ার যায়গা রাখেনি। তিনি বলেন, ঢাকার যানজট কমাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে। স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো থেকে হকারদের সরিয়ে দেওয়া, তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এতে কোনো মোড়েই গাড়ির জটলা লাগবে না। এ ছাড়া ঢাকার প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল বাস চালু করতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কুল বাসের ব্যবস্থা করবে, তাদের স্কুলের হোল্ডিং টেক্স কমিয়ে দেওয়া হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাবার নতুন বা দামি গাড়ি, কমদামি গাড়ি নিয়ে হিংসা কমবে। স্কুল বাসে যাতায়াতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা বন্ধন তৈরি হবে।

রাজধানীর যানজট নিরসনে ডিএনসিসি যে ১১টি ইউলুপ নির্মাণ করেছে, তার সুফল মিলছে না কেন? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ইউলুপ নির্মাণের পরিকল্পনা বা প্রকল্পটি ডিএনসিসির প্রয়াত মেয়র আনিসুল হকের ছিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছি। কিন্তু সড়ক পর্যাপ্ত চওড়া না হওয়ায় এই ইউলুপগুলো কাজে আসেনি। বিশেষ করে বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি সংশগ্ন একটি ইউলুপ এবং মহাখালী বাস টার্মিনাল এলাকার ইউলুপটি সুফল মিলেনি। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান বাড়ি সংলগ্ন ইউলুপটি কাজে না আসার পিছনে সবচেয়ে বড় কারণ সড়কের জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে সেতু ভবন ও বিআরটিএ ভবন। এখন এই দুটি ভবনের জন্য সড়কটি চওড়া করা যাচ্ছে। ফলে ইউলুপ করার পরও গাড়ি ঘুরতে পারছে না। মহাখালী উড়াল সড়কে গাড়ি উঠতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তাই আমি সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করবো, দ্রুত সময়ের মধ্যে নিজ উদ্যোগ ভবন দুটি ভেঙে ফেলার জন্য। এই শহরের পরিবেশ বা নাগরিকদের সুবিধার্থে কারওয়ান বাজারে বিজিএমইএ ভবন ভাঙা যেতে পারলে এই দুটি ভবন কেন ভাঙা যাবে না বলে প্রশ্ন রাখেন মেয়র আতিকুল ইসলাম।

ডিএনসিসি মেয়র বলেন, আগে বনানী চেয়ারম্যান বাড়ি এলাকায় প্রচুর গাছ ছিল। হাটাচলার জন্য চওড়া ফুটপাত বা বেড়ানোর জন্য ফাঁকা জায়গা ছিল। এখন সেই খালি জায়গা আর নেই। সেতু কর্তৃপক্ষ সেখানে অপরিকল্পিতভাবে কংক্রিটের বহুতল স্থাপনা তৈরি করেছেন। মানুষের অক্সিজেন নেওয়ার যায়গা রাখেনি। তিনি বলেন, ঢাকার যানজট কমাতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা রয়েছে। স্বল্প মেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো থেকে হকারদের সরিয়ে দেওয়া, তাদের জন্য নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট স্থান নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। এতে কোনো মোড়েই গাড়ির জটলা লাগবে না। এ ছাড়া ঢাকার প্রতিটি স্কুলে শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল বাস চালু করতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্কুল বাসের ব্যবস্থা করবে, তাদের স্কুলের হোল্ডিং টেক্স কমিয়ে দেওয়া হবে। এতে করে শিক্ষার্থীদের মধ্যে বাবার নতুন বা দামি গাড়ি, কমদামি গাড়ি নিয়ে হিংসা কমবে। স্কুল বাসে যাতায়াতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটা বন্ধন তৈরি হবে। এসময় ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা, কাউন্সিলরবৃন্দ এবং ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box