ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, প্রয়াত ক্রিকেটার রুবেল জাতীয় দলের খেলোয়ার ছিলেন এটাই তার সবচেয়ে বড় পরিচয়। রুবেল ক্রিকেট খেলার মাধ্যমে বিশ্বে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করেছে। ক্রিকেটার রুবেলের কবরটি দায়িত্ববোধ থেকেই দ্রুততম সময়ে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিয়েছি।
বুধবার রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবনে ক্রিকেটার রুবেলের কবরটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের অনুমোদনের চিঠি তার পরিবারের কাছে হস্তান্তরকালে মেয়র এ কথা বলেন। প্রয়াত ক্রিকেটার রুবেলের স্ত্রী ফারহানা রহমান চৈতি ডিএনসিসি মেয়রের নিকট থেকে কবর সংরক্ষণের অনুমোদনের চিঠি গ্রহণ করেন।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ‘রুবেল জাতীয় দলের খেলোয়ার এবং মেধাবী ছাত্র ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বøæ-ব্যাজ পুরস্কার পেয়েছেন। রুবেল মারা যাওয়ার পর তার পরিবারের আকুতি ছিল কবরটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের। আমরা পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ৯০দিনেরও কম সময়ের মধ্যে সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে অনুমোদনের চিঠি হস্তান্তর করতে পেরেছি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা সবাই জানি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী খেলা প্রিয় একজন মানুষ। খেলোয়ারদের যেকোনো সমস্যা উনি খুব গুরুত্বসহকারে দেখেন। রুবেলের পরিবার মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আকুতি জানিয়েছিলেন কবরটি স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের। সেটিকে সবোর্চ্চ গুরুত্ব দিয়ে দ্রুততম সময়ে আমরা কাজটি সম্পন্ন করেছি। রুবেলের একমাত্র ছেলেটি তার বাবার স্মৃতি স্মরণ করতে পারবে। চিঠি হস্তান্তরকালে ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজাসহ রুবেলের পরিবারের অন্যান্য সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।
















