স্টাফ রিপোর্টার:
ঢাকা-১৬ আসনের সংসদ সদস্য এর সমর্থকদের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। হামলায় ১০/১৫ গুরুতর আহত হয়। তাদেরকে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে মিরপুর রুপ নগর ইসলামিয়া স্কুলের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে ঢাকা-১৬ আসনের এমপি কর্ণেল আব্দুল বাতেন সংবাদ সম্মেলন করেন। উক্ত সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন গত ১২ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের পর থেকে পরাজিত প্রার্থীর নেতা কর্মীরা অব্যহত ভাবে হামলা করে যাচ্ছে আমার নেতা কর্মী ও সমর্থকদের উপর। তিনি বলেন ৮ মার্চ সর্বপ্রথম হামলা হয় মল্লিকা হাউজিং মসজিদে মুসল্লীদের সাথে মতবিনিময় করার সময় আমাকে ১ঘন্টা আটকিয়ে রাখা হয় পুলিশ থাকা শর্তেও আমার উপর ডিম নিক্ষেপসহ বিভিন্ন ভাবে হেরেজ করা হয়।ওনি আরো বলেন আজকের ঘটনা হলো আমি পল্লবীর ৩নং ওয়ার্ডের একটি মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়েছি সেখান থেকে আমার আসরের নামাজ পড়ার কথা ‘ত’ ব্লকের এই মসজিদে। আমি সেখানে যাওয়ার আগেই এই ঘটনা ঘটে। আমি আসার আগে আমার পিএস এর মাধ্যমে থানার ওসিকে অবহিত করি ফোনে এবং লিখিত। থানার ওসিকে দুপুরের আগে পাওয়া যায়নি। দুপুরের পর ওসির সাথে কথা হয় এবং জানানো হয়। ওনি আমাকে না আসার জন্য অনুরোধ করেন আমি সেই অনুরোধের প্রেক্ষিতে বড় কোন ঘটনা না ঘটুক সেই জন্য বিষয়টি এড়িয়ে চলি কিন্তু দেখা গেলো আমার নেতা কর্মী ও সমর্থকদের উপর দেশীয় অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা করা হলো। সেখানে পুলিশ থাকা স্বত্তেও কোন ধরনের সহযোগিতা করা হয়নি। সেই হামলায় নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপি,ছাত্রদল,কৃষকদল,যুবদলের মহানগরী ও স্থানীয় প্রায় ৩০০-৪০০শত নেতা কর্মী। তার মধ্যে নেতৃত্ব দিয়েছেন মোস্তাফিজুর রহমান মন্টু,নূর সালাম,আলমগীরসহ নেতারা।
তিনি আরো বলেন এই ঘটনার সম্পূর্ণ দায় রুপনগর থানা পুলিশের তার কোন ভাবে এই দ্বায় এড়াতে পারে না। তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। এবং রাজনৈতিক সহমর্মিতা না থাকলে কোন ভাবে এর থেকে উত্তরন সম্ভব নই।
সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও পল্লবী জোন পরিচালক জনাব নাসির উদ্দীন, রুপনগর থানা আমীর আবু হানিফ, পল্লবী দ: থান আমীর আশরাফুল আলম, পল্লবী উত্তর থানা আমীর সাইফুল কাদের ও বিভিন্ন থানা সেক্রেটারীসহ অন্যন্য নেতার্কমী।
















