ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে এক দিনে হাসপাতালে ৩৫৪ জন, মৃত্যু ৩

সব মিলিয়ে এ বছর হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯০ হাজার ৭৯৪ জন হল।

দেশে গত একদিনে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন আরো ৩৫৪ জন, এই সময়ে মশাবাহিত রোগটিতে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।

সব মিলিয়ে এ বছর হাসপাতালে ভর্তি ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়ে ৯০ হাজার ৭৯৪ জন হল। আর মৃত্যু হয়েছে ৪৮৫ জনের।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন এলাকায় ১৭৭ জন, ঢাকা বিভাগে ৪৬ জন, ময়মনসিংহে ২২ জন, চট্টগ্রামে ৩৮ জন, খুলনায় ২৫ জন, রাজশাহী বিভাগে ৪১ জন, রংপুর বিভাগে একজন এবং বরিশাল বিভাগে চারজন ভর্তি হয়েছেন।

গত একদিনে যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের তিনজনই ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন এলাকার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

শুক্রবার সকাল পর্যন্ত হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন ৮৭ হাজার ২৮১ জন রোগী। বর্তমানে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৩ হাজার ২৮ জন।

তাদের মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি ১ হাজার ২৫৫ জন; আর ১ হাজার ৭৭৩ জন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি।

এ বছর মোট ভর্তি রোগীদের মধ্যে ৫৪ হাজার ৪৬৬ জন ঢাকার বাইরের রোগী। ঢাকার দুই মহানগর এলাকার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৬ হাজার ৩২৮ জন।

এ বছর সবচেয়ে বেশি ৩০ হাজার ৮৭৯ জন রোগী ভর্তি হয়েছে অক্টোবর মাসে, মৃত্যু হয়েছে ১৩৫ জনের। আর নভেম্বরের ২৯ দিনে ২৮ হাজার ৯৭৭ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ১৭০ জনের।

জানুয়ারি মাসে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন ১ হাজার ৫৫ জন, এর মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে হাসপাতালে ভর্তি হন ৩৩৯ জন, মৃত্যু হয়েছে তিনজনের। মার্চ মাসে আক্রান্ত হন ৩১১ জন, এর মধ্যে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এপ্রিল মাসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৫০৪ জন, যাদের মধ্যে মৃত্যু হয়েছে দুইজনের। মে মাসে ৬৪৪ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের। জুন মাসে ৭৯৮ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, মৃত্যু হয়েছে আটজনের।

জুলাই মাসে ২ হাজার ৬৬৯ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হন, তাদের মধ্যে ১২ জনের মৃত্যু হয়। অগাস্টে ৬ হাজার ৫২১ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল, এর মধ্যে ২৭ জনের মৃত্যু হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুর তথ্য রাখে ২০০০ সাল থেকে। এর মধ্যে ২০২৩ সালে এ রোগ নিয়ে সবচেয়ে বেশি ৩ লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়। ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যুও হয় ওই বছর।

Facebook Comments Box