দখলদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে অভিযান চলবে 

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) আওতাধীন খাল, মাঠ, পার্ক, রাস্তা ও ফুটপাত দখলদারদের বিরুদ্ধে নিয়মিতভাবে অভিযান চলবে বলে জানিয়েছেন, প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ। তিনি বলেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে মোহাম্মদপুর হাইক্কার খালের সব অবৈধ স্থাপনা ও ভবন উচ্ছেদ করা হবে। আমি নিজে উপস্থিত থাকবো। অবৈধ দখলদারদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না। বৃহস্পতিবার মোহাম্মদপুর সূচনা কমিউনিটি সেন্টারে ডিএনসিসির অঞ্চল-০৫ এর বাসিন্দাদের সাথে গণশুনানিতে ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ এসব কথা বলেন। গণশুনানিতে অঞ্চল-৫ এর আওতাধীন ২৬,২৭,২৮,২৯,৩০,৩১,৩২,৩৩ ও ৩৪ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, মসজিদের ইমাম, বাজার কমিটির সভাপতি/সাধারণ সম্পাদক ও নেতৃবৃন্দ, সোসাইটির নেতৃবৃন্দ, যুবক ও ছাত্র প্রতিনিধি এবং স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। গণশুনানিতে অন্যান্যের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন, ডিএনসিসির অঞ্চল-৫ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

টিসিবি কার্ডের তালিকা নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ‘পূর্বে তৈরি করা টিসিবি কার্ডের তালিকা নিয়ে সব জায়গা থেকে অভিযোগ পাচ্ছি। আমি সংশ্লিষ্ট বিভাগকে নির্দেশনা দিয়েছি এগুলো যাচাই-বাছাই করে সঠিক তালিকা প্রণয়ন করার জন্য। নতুন তালিকা প্রণয়নে কোন ভাবেই রাজনৈতিক প্রভাব থাকতে পারবে না। সঠিক ব্যক্তিকে টিসিবি কার্ডের জন্য নির্বাচন করা হবে। ফুটপাতে হকারদের উচ্ছেদে অভিযান শুরু হয়েছে উল্লেখ করে প্রশাসক বলেন, আমরা জানি হকারদের এই কার্যক্রমের পেছনে চাঁদাবাজদের চক্র রয়েছে। চাঁদাবাজ চক্রে জড়িতদের বলছি আপনারা এসব বন্ধ করে। হকারদের উচ্ছেদের জন্য চাদাবাজদেরও ধরা হবে।

প্রশাসক আরও বলেন, ‘অনেক জায়গায় লাইট নষ্ট হয়ে যাওয়ার তথ্য পাচ্ছি। ডিএনসিসির বিদ্যুৎ সার্কেলকে নির্দেশ দিয়েছি নষ্ট বাতিগুলো দ্রুত মেরামত করা হবে। রাস্তা ও ড্রেন খোড়াখুড়ির বিষয়ে এক নাগরিকের প্রশ্নের জবাবে ডিএনসিসি প্রশাসক জানিয়েছেন, ‘আগামী ৩০ মে তারিখের মধ্যে ডিএনসিসি এলাকার রাস্তা ও ফুটপাতের খোড়াখুড়ি মেরামত করা হবে। নতুন করে কোন খোড়াখুড়ির করতে দেওয়া হবে না।

Facebook Comments Box