বায়ুদূষণ রোধে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। এরমধ্যে বায়ুদূষণের উৎস চিহ্নিত ও নিয়ন্ত্রণে জোরালো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছ। কারণ বর্তমানে বাংলাদেশে জনস্বাস্থ্যের জন্য একটি মারাত্মক হুমকি হিসেবে দেখা দিয়েছে। যানবাহনের ধোঁয়া, ইটভাটার নির্গমন, বিভিন্ন কলকারখানার ধোঁয়া এবং বর্জ্য পোড়ানোর ফলে দেশের বায়ুর মান দিন দিন উদ্বেগজনকভাবে নিম্নগামী হচ্ছে। এতে শ্বাসতন্ত্রের রোগসহ নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, যা বিশেষ করে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষের জন্য গুরুতর বিপদ ডেকে আনছে।
বায়ুদূষণের অন্যতম প্রধান উৎস হিসেবে বর্জ্য পোড়ানোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে যেসব স্থানে বর্জ্য পোড়ানো হয়, সেসব এলাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এই উদ্যোগ বাস্তবায়নে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে সরকার মনে করে। মঙ্গলবার পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বায়ুদূষণ রোধে নাগরিকদের সম্পৃক্ত করতে সরকার দেশের সকল নাগরিকের নিকট বর্জ্য পোড়ানোর ছবি পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানাচ্ছে। বর্জ্য পোড়ানোর ঘটনা চোখে পড়লে সংশ্লিষ্ট ছবি পষরসধঃবপযধহমব২@সড়বভ.মড়া.নফ ই-মেইল ঠিকানায় পাঠাতে অনুরোধ করা হলো। ছবির সঙ্গে অবশ্যই প্রেরক বা ফটোগ্রাফারের নাম, মোবাইল নম্বর, ছবির অবস্থান, এলাকার ঠিকানা এবং ঘটনার সময় উল্লেখ করতে হবে।
উল্লেখ্য, প্রতি মাসে প্রাপ্ত ছবিগুলোর মধ্য থেকে যাচাই-বাছাই করে সেরা ১০টি ছবি নির্বাচন করা হবে এবং নির্বাচিতদের যথোপযুক্ত পুরস্কার দেওয়া হবে। সরকারের এই উদ্যোগে নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ বায়ুদূষণ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।













