মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের ১৫ দলীয় প্রগতিশীল ইসলামী জোটের আত্মপ্রকাশ

সাবেক সংসদ সদস্য, ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এম এ আউয়ালের নেতৃত্ব ১৫টি রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে প্রগতিশীল ইসলামী জোট গঠিত হয়েছে। বুধবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের প্রগতিশীল, ইসলামী ও সমমনা দলগুলোর এই জোট। শরিকদলগুলোর চেয়ারম্যানরা জোটের কো-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

এম এ আউয়াল বলেন, দেশের পরিস্থিতি দিনে-দিনে উদ্বেগজনক জায়গায় যাচ্ছে। নিত্যপণ্যের অবারিত মূল্যবৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস জনগণের জীবন। হাসপাতালে-হাসপাতালে মৃত্যু। প্রশাসনে নানারকম অনিয়ম, দুর্নীতি। এসব অপতৎপরতা বন্ধ করে স্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির দায়িত্ব সরকারের। একইভাবে সংবিধানসম্মত উপায়ে একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশনের। আমরা অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনকে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজনের সব প্রক্রিয়া শুরু করার আহবান জানাই।

জোটর্ভুক্ত দলগুলো হচ্ছে- ইসলামী গণতান্ত্রিক পার্টি; নেজামে ইসলাম বাংলাদেশ; বাংলাদেশ গণ আজাদী লীগ; বাংলাদেশ তরীকত ফ্রন্ট; বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক পার্টি ; বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক লীগ; বাংলাদেশ জনমত পার্টি; বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী জনতা দল (বি এন জে পি) ; ইসলামী লিবারেল পার্টি; জনতার কথা বলে; বাংলাদেশ স্বাধীন পার্টি; বাংলাদেশ গণতন্ত্র মানবিক পার্টি; সাধারণ ঐক্য আন্দোলন; বাংলাদেশ ইসলামিক গণতান্ত্রিক লীগ ও বাংলাদেশ ইসলামিক ডেমোক্রেটিক ফোরাম। জোটের কো-চেয়ারম্যানরা হলেন- মাও হারিছুল হক; সৈয়দ সামসুল আলম হাসু; মুফতি মাহাদী হাসান বুলবুল; প্রফেসর কাজী মহিউদ্দিন সৌরভ; খন্দকার এনামুল নাছির; সুলতান জিসান উদ্দিন প্রধান; ফয়েজ আহমেদ চৌধুরী; মাওলানা আতাউর রহমান আতিকি; মো: নাঈম হাসান; ডা. মোহাম্মদ সম্রাট জুয়েল; মো. আখতার হোসেন; হাবিব উদ্দিন আহম্মেদ; মো. আনোয়ার হোসেন; অধ্যক্ষ মো রফিকুল ইসলাম।

Facebook Comments Box