দেশে প্রথমবারের মতো তিন দিন ব্যাপি জাতীয় পর্যায়ে হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক সম্মেলন এবং মেলা শুরু হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) শুরু হয়ে এটি শেষ হবে শনিবার (১৯ নভেম্বর)। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৃহস্পতিবার সকাল ১০ টায় ভার্চুয়ালি এ সম্মেলন ও মেলা উদ্বোধন করবেন। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম এ কথা জানিয়েছেন।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে হবে হজ ও ওমরা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এ সম্মেলন ও মেলা। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, ধর্মবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতসহ বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।
এর আগে আর হজ ও ওমরা নিয়ে বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ে কোনো সম্মেলন হয়নি জানিয়ে হাব সভাপতি বলেন, প্রতি বচর বাংলাদেশের প্রায় ৯৬ শতাংশ হজ এবং শতভাগ ওমরাহযাত্রী বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় সৌদি আরবে যায়। অতীতে হজ ব্যবস্থাপনায় নানারকম ত্রুটি-বিচ্যুতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনা ছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার ও হাবের প্রচেষ্টায় হজ ব্যবস্থাপনায় পরিবর্তন এবং শৃঙ্খলা ফিরে এসেছে।
বাংলাদেশে হজযাত্রীদের অধিকাংশই গ্রামগঞ্জে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছেন উল্লেখ করে শাহাদাত হোসাইন তসলিম আরো বলেন, কিন্তু বেশিরভাগ হজ ও ওমরাহ এজেন্সির প্রাতিষ্ঠানিক কাজকর্ম ঢাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। তাই এই মেলার মাধ্যমে সব হজ এজেন্সি সম্পর্কে সবাইকে পরিচয়ের ক্ষেত্র তৈরি করে দেওয়া সম্মেলনের অন্যতম উদ্দেশ্য। এছাড়া, প্রযুক্তি নির্ভর হজ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে ধারণা দেওয়া, হজযাত্রীদের মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করা, হজকে কেন্দ্র করে অসাধু ব্যক্তিদের দৌরাত্ম ও মধ্যস্বত্বভোগী রোধ করা এবং হজ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য আদান-প্রদানসহ হজ ও ওমরা সম্পর্কে অবহিতকরণ এই মেলার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
যাত্রী, হজ এজেন্সি ও অন্যান্য অংশীজনদের মধ্যে ই-হজ সিস্টেম ও মক্কা রুট ইনিশিয়েটিভ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য আদান-প্রদানে দুটি সেমিনারের করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন হাবের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি মাওলানা ইয়াকুব শরাফতী, মহাসচিব ফারুক আহমদ সরদার প্রমূখ।
















