চট্টগ্রামে প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরে বলেছেন, ‘বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। গণতন্ত্র ও উন্নয়নের জন্য শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই।
তিনি বলেন, এই দেশ মাস্টার দা সূর্যসেনের দেশ, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের দেশ, এমএ আজিজের দেশ, মহিউদ্দিন চৌধুরীর দেশ। যতদিন বাংলাদেশ নামক ভূখণ্ড থাকবে ততদিন স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বঙ্গবন্ধুর নাম। গত ৪৭ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে সৎ রাজনীতিকের নাম শেখ হাসিনা, বাংলাদেশে সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতার নাম শেখ হাসিনা, দক্ষ প্রশাসকের নাম শেখ হাসিনা, বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর দেশের সবচেয়ে সাহসী নেতার নাম শেখ হাসিনা, সফল কূটনীতিকের নাম শেখ হাসিনা, ধ্বংস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে যিনি সৃষ্টির পতাকা উড়ান তিনি হচ্ছেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে ‘ক্রাইসিস ম্যানেজার’ হিসাবে আছেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ও নিষেধাজ্ঞায় কিছুটা বিপদে আছি। এ বিপদ থেকেও তিনি আমাদের উদ্ধার করবেন। তিনি সারারাত ঘুমান না।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আপনি বলেন- সরকারের ঘুম নষ্ট হয়ে গেছে। আরে ঘুমটা তো আসলে নষ্ট হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনার। দেশের মানুষ যাতে কষ্ট না পায়, শান্তিতে ঘুমাতে পারে, সেই চিন্তায় শেখ হাসিনা ঘুমাতে পারেন না।’
জনসভায় বিপুল জনসমাগম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘খেলা হবে। বীর চট্টলা তৈনি। ফখরুল সাহেব, আমীর খসরু সাহেব আপনি এসে দেখে যান। আট সমাবেশের সমান লোক হয়েছে। ইতিহাস সৃষ্টি করেছে শেখ হাসিনার পলোগ্রাউন্ডের মহাসমাবেশ। এক মহাসমুদ্র! কর্ণফুলীর সব ঢেউ আজ পলোগ্রাউন্ডে, বঙ্গোপসাগরের ঢেউ আজ এখানে। চট্টগ্রাম শহরে এসে দেখে যান। বীর চট্টলা জেগেছে। কান পেতে শুনুন মহাসাগরের গর্জন। বাংলাদেশকে বাঁচাতে হলে আওয়ামী লীগকে বাঁচাতে হবে। গণতন্ত্র, উন্নয়ন, অর্জনের জন্য শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। খেলা তো হবেই। এই ডিসেম্বরেই খেলা হবে।
সেতুমন্ত্রী বলেন, যারা শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে, সেই দলের নাম বিএনপি-বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। কর্মীরা কষ্ট করে বিএনপির সমাবেশে আসে, তাঁবু টানিয়ে, মশার কামড় খেয়ে, লোটা-কম্বল নিয়ে পড়ে থাকে। আর ফখরুল সাহেবরা থাকেন এসি রুমে। তাদের কাছে শুধু টাকা আর টাকা। দুবাইয়ের টাকা। টাকার বস্তা নিয়ে সমাবেশ করেন তারা।
বিএনপিকে উদ্দেশ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সংবিধান সংশোধনের দিবাস্বপ্ন ভুলে যান। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ভুলে যান। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর হবে না।
















