ঢাকা শহরের ছাদে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর আহবান জানিয়েছেন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ঢাকায় বাগান বা কৃষির জন্য পর্যাপ্ত জায়গা পাওয়া যাবে না। ফলে ছাদই কৃষির জন্য একটি বড় ক্ষেত্র হতে পারে। সবাই যেন ছাদ কৃষি করে সেজন্য আমরা সচেতনতা চালাচ্ছি। বুধবার রাজধানীর গুলশান-২ এ নগর ভবনে হল রুমে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে দিন ব্যাপী ছাদ কৃষি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য মেয়র এ কথা বলেন।
ছাদ কৃষিতে ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক পুরস্কার দেয়া হবে জানিয়ে মেয়র আরো বলেন, আগামী ফেব্রুয়ারী ছাদ কৃষির ফল ও সবজি নিয়ে একটা মেলার আয়োজন করা হবে। সঠিকভাবে নিয়ম মেনে যারা ছাদ কৃষি করবে তাদেরকে পুরস্কৃত করা হবে।
অনুষ্ঠানে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন এক ইঞ্চি জায়গাও যেন অনাবাদি ফেলে রাখা না হয়। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মেনে আমাদের প্রতিটি জায়গায় চাষাবাদ করতে হবে। কাউন্সিলরদের স্ব স্ব এলাকায় মানুষকে সচেতন করতে হবে। জনপ্রতিনিধিরা তাদের ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে কাজ করলে সফলতা আসবে। কাউন্সিলরদের দায়িত্ব নিয়ে এ বিষয়ে কাজ করতে হবে। জনগণকে অনুপ্রাণিত করতে হবে। এসময় কাউন্সিলরদের নিজেদের বাড়িতে ছাদ কৃষি করার আহবান জানান মেয়র। ছাদ বাগানেই মশার জন্ম হয় কথাটি সঠিক নয় জানিয়ে মেয়র আরও বলেন, বরং নিয়ম মেনে ছাদ বাগান করলে ছাদে মশা জন্মানো বন্ধ করা সম্ভব। বাগান না করলে দেখা যায় অনেক ছাদে পানি জমে থাকে, অব্যবহৃত জিনিসপত্র পরে থাকে। এর ফলে সেখানে এডিসের লার্ভা জন্মায়। অতএব ছাদ বাগান করার মাধ্যমেই মশা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। অনুষ্ঠানে কৃষি উন্নয়ন নিয়ে কাজ করা বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সিনিয়র টেকনিক্যাল এডভাইজর জ্যাভিয়ার বুয়ান, ডিএনসিসি মেয়রের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. কবিরুল বাসার, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেঃ জেনাঃ মোঃ জোবায়দুর রহমান, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম, সচিব মোহাম্মদ মাসুদ আলম ছিদ্দিক প্রমুখ।
















