বিএনপি-জামায়াতের চলা অবরোধের মধ্যে ঢাকা নদী বন্দরে (সদরঘাট) থাকা যাত্রীবাহী লঞ্চের একটি কেবিনে আগুনের ঘটনায় রহস্য তৈরি হয়েছে। ধোঁয়া বের হতে দেখে লঞ্চের কর্মচারীরা তাৎক্ষণিকভাবে পানি দিয়ে সেটি নিভিয়ে ফেলেন। ওই কেবিন থেকে অকটেন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় লঞ্চটির যাত্রা বাতিল করা হয়েছে।
শর্টসার্কিট থেকে ওই কেবিনে এমনটি ঘটতে পারে বলে মনে করছেন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) কর্মকর্তারা। এ ঘটনায় অন্যান্য লঞ্চের যাত্রী ও কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে সদরঘাট থেকে অন্যান্য লঞ্চ চলাচল করেছে। যাত্রী কম ছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আরও জানা গেছে, আক্রান্ত লঞ্চটি হলো সম্রাট-৭। এটি ঢাকা থেকে বরিশালের ভাসানচর রুটে চলাচল করে। গতকাল রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে এটি ভাসানচরের উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। এজন্য সদরঘাটে লঞ্চটিতে যাত্রী তোলা হচ্ছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে লঞ্চের ২১৮ নম্বর কেবিন থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখেন কর্মচারীরা। ওই সময় কেবিনটি তালাবদ্ধ ছিল। তালা ভেঙে আগুন নিভিয়ে ফেলেন তারা। ওই লঞ্চের পরিবর্তে একই কোম্পানির সম্রাট-২ লঞ্চটি ভাসানচরের উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
লঞ্চের মালিক আওলাদ হোসেন জানান, এক ব্যক্তি ওই কেবিন বুকিং দিয়েছিলেন। সেখানে অল্প পরিমাণে অকটেন পাওয়া গেছে। এ ঘটনা নাশকতা নাকি দুর্ঘটনা তা নিশ্চিত নন বলে জানান তিনি।
তবে এ ঘটনায় নাশকতা দেখছেন না বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডর আরিফ আহমেদ মোস্তফা। তিনি বলেন, শর্টসার্কিট থেকে এ ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে বলে স্থানীয় কর্মকর্তারা আমাকে জানিয়েছেন। ছোট ঘটনা হওয়ায় তদন্ত কমিটি হয়তো গঠন করব না। মালিক পক্ষের কাছে কারণ জানতে চাইব। তিনি জানান, অবরোধের মধ্যেও অন্যান্য লঞ্চ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।














