বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনব্যাপী হজ ও ওমরাহ ফেয়ার ২০২৫ শুরু হচ্ছে

২০২৬ সালের হজ রোডম্যাপ অনুযায়ী- বাধ্যতামূলক ক্যাটারিং সার্ভিস, মুয়াল্লিমের মাধ্যমে বাড়ি ভাড়ার নিয়ম কার্যকর হলে হাজিদের কষ্ট ও ব্যয় বাড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছেন, অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব)। এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে ধর্ম মন্ত্রণালয়কে বলা হয়েছে। মন্ত্রণালয় সৌদি আরবকে চিঠি দিয়েছে। এখন জবাবের অপেক্ষায়। মঙ্গলবার রাজধানীর একটি হোটেলে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, হাবের সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার ও মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার। এসময় হাবের সিনিয়র সহ-সভাপতি শামীম সাঈদী, সহ সভাপতি হাফেজ নূর মোহাম্মদ, যুগ্ম মহাসচিব মোহাম্মদ জাফর উদ্দিন, অর্থ সচিব আবদুল হামিদ, জনসংযোগ সচিব হাফেজ জাহিদ আলম, সাংস্কৃতিক সচিব মোহাম্মদ কাউসার উদ্দিনসহ কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যগণ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আগামী বৃহস্পতিবার থেকে তিন দিনব্যাপী হজ ও ওমরাহ ফেয়ার ২০২৫ শুরু হচ্ছে। এই মেলা চলবে ১৬ আগস্ট পর্যন্ত। রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে হজ এজেন্সিজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (হাব) উদ্যোগে এই মেলার আয়োজন করা হয়েছে। ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন এই মেলার শুভ উদ্বোধন করবেন। সংবাদ সম্মেলনে হজ ও ওমরাহ যাত্রীদের জন্য প্রাসঙ্গিক তথ্য তুলে ধরে হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সারওয়ার বলেন, “বাংলাদেশে হজযাত্রীদের অধিকাংশই দেশের গ্রামীণ এলাকায় বাস করেন। বেশির ভাগ হজ ও ওমরা এজেন্সির কার্যক্রম ঢাকা-কেন্দ্রিক হলেও, এই মেলার মাধ্যমে দেশের সব হজ এজেন্সি ও হজযাত্রীদের মধ্যে পরিচিতি ও যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে। হজ ব্যবস্থাপনায় আধুনিক প্রযুক্তি, সঠিক তথ্য এবং অসাধু ব্যক্তি ও মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব থেকে মুক্ত সেবা প্রদানের লক্ষ্যেই আমাদের এই আয়োজন। তিনি আরও বলেন, হজ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য, হজ ও ওমরাহর বিধিবিধান, এবং সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ সম্পর্কে হজগমনেচ্ছুদের অবহিত করাই এই ফেয়ারের মূল উদ্দেশ্য। এবারের ফেয়ারে হজ ব্যবস্থাপনায় ই-হজ সিস্টেম ও রুট টু মক্কা উদ্যোগ বিষয়ে হজ যাত্রীগণ ধারনা নিতে পারবেন। সংবাদ সম্মেলনে হাবের মহাসচিব ফরিদ আহমেদ বলেন, এই মেলার মাধ্যমে বিভিন্ন হজ্জ এজেন্সির প্যাকেজ যাচাই-বাছাই করে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব ছাড়াই সরাসরি হজ এজেন্সির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার সুযোগ পাবেন গ্রাহকরা। সেই সঙ্গে প্যাকেজে মিলবে ১০ থেকে ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত ছাড়। ডেডিকেটেড হজ ফ্লাইটের কথা বলে দ্বিগুণ ভাড়া নেওয়া হলেও কোনো এয়ারলাইন্স ডেডিকেটেড ফ্লাইট পরিচালনা করে না উল্লেখ করে ফরিদ আহমেদ আরো বলেন, বিমান ভাড়া সর্বোচ্চ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা হওয়া উচিত বলে মনে করে হাব। হাব আরও জানায়, বাংলাদেশের হজযাত্রীদের অধিকাংশই দেশের গ্রামীণ এলাকায় বাস করেন। বেশির ভাগ হজ ও ওমরাহ এজেন্সির কার্যক্রম ঢাকাকেন্দ্রিক হলেও এই মেলার মাধ্যমে দেশের সব হজ এজেন্সি ও হজযাত্রীদের মধ্যে পরিচিতি এবং যোগাযোগের সুযোগ তৈরি হবে বলে উল্লেখ করেন আয়োজকরা।

Facebook Comments Box