নিজস্ব প্রতিবেদক
গণভোটের রায়কে পাশ কাটিয়ে সরকার ভিন্ন পথে হাঁটলে চরম খেসরাত দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণ এর সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম। তিনি বলেন, সংবিধানের গতানুগতিক সংশোধন নয়, বরং জুলাই গণ-অভ্যুত্থান ও গণভোটের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ একটি মৌলিক সংবিধান সংস্কারের পক্ষে হ্যাঁ ভোট দিয়ে স্পষ্ট ম্যান্ডেট দিয়েছে। কিন্তু সেই ঐতিহাসিক জনরায় উপেক্ষা করে সরকার ভিন্ন পথে অগ্রসর হতে চাইলে তা হবে চরম প্রতারণা। হ্যাঁ ভোটের পক্ষে ৭০ শতাংশ ভোট পড়েছে। এটাকে পাশ কাটানোর ব্যর্থ চেষ্টা জনগণ রুখে দাড়াবে। তিনি বলেন, জুলাই সনদ অনুযায়ী সংসদের উচ্চ কক্ষ গঠন করতে হবে।
গতকাল পুরানা পল্টনস্থ ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের থানা ও নগর যৌথ সভায় সভাপতির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। দলের সেক্রেটারী মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত যৌথসভায় বক্তব্য রাখেন, সহ-সভাপতি আলহাজ্ব আলতাফ হোসেন ও আলহাজ্বা আনোয়ার হোসেন, মাওলানা কেএম শরীয়াতুল্লাহ, প্রভাষক শফিকুল ইসলাম, নজরুল ইসলাম খোকন, মাওলানা নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক ফজলুল হক মৃধা, শেখ আবু তাহের, আব্দুর রহমান, গোলামুর রহমান আজম, নাজিমুদ্দিন গাজী, হাফেজ সালাহউদ্দিন।
মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম বলেন, সরকার ও বিরোধী দল জনপ্রত্যাশা পুরণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে। সরকার জনদুর্ভোগ লাঘব করতে পারেনি। চাঁদাবাজি ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে, সরকার চাঁদাবাজদের দমন না করে তাদের রাজনৈতিক আশ্রয় প্রশ্রয় দিচ্ছে। অপরদিকে জনগণ যে প্রত্যাশা নিয়ে বিরোধী দলকে ভোট দিয়েছে, তারা জনগণের পক্ষে ভাল কোন ভুমিকা রাখতে পারছে না। তারা সংসদে দাড়িয়ে নিজেদের প্রাপ্তি নিয়ে কথা বার্তা বলছে। এতে জনগণ চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়েছে বিরোধী দলের ওপর। যৌথসভায় ২৪ জুলাই নগর শুরা অধিবেশ এবং ২৫ জুলাই নগর সম্মেলন সফলের আহ্বান জানানো হয়।
















