চরফ্যাসন (ভোলা) প্রতিনিধি :
অজ্ঞান পাটির দেয়া নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশানো খাবার খেয়ে এক প্রবাসীর পরিবারের ৮ জনসহ অচেতন ১৭ জনকে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গতকাল বুধবার দুপুরে স্বজনরা অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেন। অচেতনদের মধ্যে দুই শিশুসহ নারী ও বৃদ্ধরা রয়েছে। মঙ্গলবারদুপুরে ও রাতে ভোলার লালমোহন উপজেলার লর্ডহাডিঞ্জ ইউনিয়নের পেয়ারী মোহন গ্রামে প্রবাসী গিয়াস উদ্দিনের বাড়িতে এঘটনা ঘটে।
প্রবাসী গিয়াস উদ্দিন জানান, তিনিসহ তার ৪ ভাই প্রবাসে থাকেন। সম্প্রতি সময়ে ২ ভাই প্রবাস থেকে দেশে ফিরেন। মঙ্গলবার দুপুরে যে কোন সময় দুর্বৃত্তরা তাদের খাবারে নেশা জাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে নে ওই খেয়ে পরিবারের সদস্যরা অচেতন হয়ে পরেন। সন্ধ্যায় খবর পেয়ে নিকটতম আত্মীয় স্বজনরা অচেতন আহতদের দেখতে তার বাড়িতে আসেন। পরিবারের সদস্যরা অচেতন হওয়া ঘটনাটি তাদের সন্দেহভূত হলে তারা অপর স্বজনদের জন্য রাতে নতুন খাবার রান্না করেন। রাতে নতুন রান্না করা খাবার খেয়ে বেড়াতে আসা দুই শিশুসহ ৯ জন স্বজন সবাই অচেতন হয়ে পরলে স্থানীয় ভাবে অচেতনরে চিকিৎসা দিয়ে কোন সুরাহ না পেয়ে গতকাল বুধবার দুপুরে তার পরিবারের ৮ সস্যসহ ৯ স্বজনকে চরফ্যাসন হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে চুরির উদ্দেশ্যে দুর্বৃত্তরা খাবারের সাথে নেশা জাতীয় দ্রব্য দিয়ে পরিবারে সস্যদের অচেতন করেছে।
স্বজন শাকিল জানান, রাতে খাবার খেয়ে সবাই অচেতন হয়ে পরলে দুর্বৃত্তচক্র ওই বাড়ির জানালার গ্লাস ভেঙে ও গ্রীল কাটার চেষ্টা করেন। শব্দ পেয়ে প্রতিবেশীরা টের পেলে দুর্বৃত্ত চক্র পালিয়ে যান।
লালমোহন থানার ওসি মাকসুদুর রহমান মুরাদ জানান, প্রবাসীর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মূলকারন জানাযাবে।
















