নিজস্ব প্রতিবেদক
উন্নয়ন প্রকল্পের যেকোনো দুর্নীতির গলা আমরা টিপে ধরব বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি এবং পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ ।
গতকাল বাউফলের নওমালা ইউনিয়নের নগরের হাটে টল ঘরের নির্মাণকাজের উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই হুঁশিয়ারি দেন। দীর্ঘদিন ধরে জরাজীর্ণ ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে থাকা এই টল ঘরটি সংস্কার ও আধুনিকায়নের দাবি ছিল স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষের। নির্বাচনের আগে নগরের হাটে এসে ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন—তিনি নির্বাচিত হন বা না হন, জনগণের এই প্রয়োজনীয় কাজটি বাস্তবায়নে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন। সেই প্রতিশ্রুতিরই বাস্তব প্রতিফলন হিসেবে গতকাল থেকে শুরু হলো টল ঘরের আনুষ্ঠানিক নির্মাণকাজ।
ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি বলেন, এটি জনগণের ট্যাক্সের টাকায় বাস্তবায়িত একটি প্রকল্প। তাই এই কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। জনগণের প্রতিটি টাকার সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।” তিনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও দায়িত্বপ্রাপ্তদের সতর্ক করে নির্ধারিত মান বজায় রেখে কাজ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন এবং সাধারণ জনগণকে এই কাজের সঠিক তদারকি করার অনুরোধ জানান। দুর্নীতির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে এমপি বলেন, “আমরা ছোটবেলায় শুনেছি চোর-ডাকাতদেরও একটা ধর্ম আছে, তারা নিজের এলাকায় চুরি-ডাকাতি করে না। চোর আর ডাকাতরা যদি ইজ্জত বোঝে, তবে একজন ঠিকাদার, একজন ইঞ্জিনিয়ার কিংবা একজন এমপি হিসেবে আমাদের কি এলাকার ইজ্জত বোঝা উচিত না? তাহলে আমার এলাকায় রাস্তায় কেন দুর্নীতি হবে? কালভার্ট, ব্রিজে অথবা খালে কেন দুর্নীতি হবে? আমরা যেকোনো দুর্নীতির গলা টিপে ধরব। এক টাকা দুর্নীতি করে কেউ গিলে ফেললে তার পেট থেকে ওই টাকা খুঁজে বের করব, কথা পরিষ্কার। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন নওমালার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সহিদুল ইসলাম মৃধা, নওমালা ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওলানা মকবুল আহমেদ, আদাবারিয়া ইউনিয়ন জামায়াতের আমির কবির হোসেন, সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার রেজাউল করিম এবং উপজেলা সহকারী প্রকৌশলী ফয়সাল ফরাজিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
















