নষ্ট হচ্ছে যুব সমাজ :
ঢাকার শ্যামপুরে মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা বাড়ছে

রাজধানীতে মাদক ব্যবসা কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলাবাহীনির অভিযান আগের মতো জোড়ালো না থাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা আগের থেকে অনেক বেড়ে গেছে। গত আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্বে থাকাকালীন নানাভাবে অভিযান চালিয়ে শত শত মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কিন্তু তারা কিছু দিন পর জেল থেকে বের হয়ে একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। কারণ এর সাথে বেশির ভাগই গত ক্ষমতাসীন দলের লোকজন জড়িত। যার বাস্তব উদাহরন রাজধানীর আওয়ামী লীগের শ্যামপুর থানার সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তোফায়েল আহমেদ। তিনি সরকার পতনের পর আত্মগোপনে থেকেই শ্যামপুর এলাকার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন।

স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে,গত আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীন দাপটের সাথে ছিলেন আওয়ামী লীগের শ্যামপুর থানা সাংগঠনিক সম্পাদক মো. তোফায়েল আহমেদ। ক্ষমতার দাপটে পুরো এলাকার মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। বিশেষ করে শ্যামপুরের পোস্তখোলা-কুলীবাগান এলাকারয় মাদকের আস্তানা গড়ে তুলেছেন তিনি। সরকার পতনের পর তিনি আত্মগোপনে থেকেই তার সহযোগিদের দিয়ে নানাভাবে এসব এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। বর্তমানে আইনশৃঙ্খলাবাহীনি কর্তৃক মাদক বিরোধী অভিযান জোড়ালো না থাকায় এই সুযোগে আগের চেয়ে বেশি মাদক বেচাকেনা হচ্ছে বলে অনেকে অভিযোগ করেছেন। মো . তোফায়েল আহমেদ আত্মগোপনে থেকে মাদক সম্রাট মো. : মাসুম ও শাওনকে এ কাজে ব্যবহার করছে।

এছাড়া, এ এলাকায় মাদক বেচাকেনায় সব ধরনের সহযোগিতা করছেন মো : রাসেল, পিতা: বাদশা, মো : মনির, পিতা সেলিম মো : শরীফ, পিতা : আলা মিয়াসহ অনেকে সহযোগিতা করছেন। এদের কারণে স্থানীয় যুব সমাজ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে উল্লেখ করে রফিক হোসেন নামের এ বাসিন্দা জানান, শ্যামপুর এলাকায় মাদক ব্যবসায়ীদের আনাগোনা আগের থেকে অনেক বেড়েছে। হাতের নাগালে থাকায় অনেক যুবক মাদক সেবনে জড়িয়ে পড়ছে। ফলে দ্রুত এর সাথে জড়িদের আইননের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

Facebook Comments Box