রাজধানী ঢাকার হজক্যাম্প সংলগ্ন কাওলা (আশিয়ান সিটি) ময়দানে শুরু হয়েছে তিনদিনের সুন্নাতে ভরা আন্তর্জাতিক ইজতেমা। বুধবার থেকে এ ইজতেমা শুরু হয়েছে। শেষ হবে ১৬ ফেব্রুয়ারী শুক্রবার জুমার নামাজ ও আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে। ইজতেমার প্রথমদিনেই দেশের দূর দূরান্ত থেকে মুসল্লির ঢল নেমেছে। চলছে ইমান ও আক্বিদা, আমল, আখলাকসহ বিভিন্ন বিষয়ভিত্তিক আলোচনা। কুরআন ও সুন্নাত প্রচারের বিশ্বব্যাপী অরাজনৈতিক দ্বীনী সংগঠন দাওয়াতে ইসলামী বাংলাদেশের উদ্যোগে বুধবার ফজরের নামাজের পর দোয়া-মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শুরু হয় ইজতেমার আনুষ্ঠানিক পর্ব। ফজরের নামাজের পর থেকে নামাজের ফজিলত, সময়ের গুরুত্ব, সন্তানের সুশিক্ষা ও পরিবারের সংশোধন ইত্যাদি বিষয়ে কুরআন-হাদিস দিয়ে আলোচনা করা হয়।
আলোচনায় অংশ নেন দাওয়াতে ইসলামীর মুবাল্লিগ মাওলানা মুহাম্মদ জাকির আত্তারী, মুহাম্মদ ইমরান আত্তারী, মাওলানা মুহাম্মদ রিয়াজ আত্তারী, মাওলানা মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম কাদেরি, মাওলানা নাইমুল হায়দার কাদেরী ও মুফতি মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম মুজাদ্দেদী। মোবাল্লিগগণ ইজতিমার গুরুত্ব ও তাৎপর্য বর্ণনা করে বলেন, আল্লাহতায়ালার আপন প্রিয় মাহবুব সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উম্মতকে সকল যুগে অতুলনীয় মেধাসম্পন্ন ব্যক্তিত্ব দান করেছেন। তারা কেবল নিজেরাই সৎ কাজের আদেশ ও অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করার মহান দায়িত্ব সর্বোত্তম পন্থায় আদায় করেননি, বরং মুসলমানদের নিজের এবং সমগ্র মানবজাতির সংশোধনের চেষ্টা করার মন-মানসিকতাও দিয়েছেন। তাই আমাদেরকেও কুরআন হাদিসের আলোকে নিজেকে, এবং অন্যদের সংশোধনের চেষ্টা করে যেতে হবে। যাতে ধর্মীয় শিক্ষায় মানবিক মানুষ হতে পারি। আর সেটা সম্ভব হলে দেশে জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, হানাহানি ও সমাজে কোনো প্রকার অশান্তি থাকবে না।
















