বাংলাদেশ এবং জাপানের সম্পর্ক আরো জোরদার হবে বলে জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, জাপান ও বাংলাদেশ পারস্পরিক সুবিধার্থে টেকনোলজি, তথ্য ও প্রযুক্তি খাতসহ সংস্কৃতির বিভিন্ন বিষয়ে আদান-প্রদান করতে পারে। এতে উভয় দেশ লাভবান হতে পারে।
বুধবার বাংলাদেশে জাপানের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলামের সাথে সাক্ষাৎকালে মন্ত্রী এ কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।
রাষ্ট্রদূত ইওয়ামা কিমিনোরি বলেন, ২০২৩ সালে জাপান ও বাংলাদেশের মধ্যকার ক‚টনৈতিক সম্পর্কের ৫১ তম বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর থেকেই বন্ধু দেশ হিসেবে জাপান বাংলাদেশের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সম্ভাব্য সব ধরনের সাহায্য ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।
ইওয়ামা কিমিনোরি বলেন, তিনি জাপানি কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে ব্যবসা করতে উদ্বুদ্ধ করবেন যাতে বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির লক্ষ্য অর্জনের সক্ষম হয়।তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় ও স্থানীয় উন্নয়নে জাপান বন্ধুদেশ হিসাবে আরো সম্পৃক্ত হতে চায় যাতে বাংলাদেশ মধ্যম আয়ের দেশ থেকে উন্নত দেশের লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারে।
এ সময় স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বের ফলে বর্তমানে বাংলাদেশের যে উন্নয়ন অব্যাহত রয়েছে তাতে জাপানের আরও বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে। তিনি বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ, স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ, পদ্মা সেতু বাস্তবায়নসহ নানা ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে জাতি হিসেবে বাংলাদেশের সক্ষমতার পরিচয় আজ বিশ্বে উজ্জ্বল।
তিনি আরো বলেন, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্পের মত বৃহৎ প্রকল্পে বিনিয়োগের মাধ্যমে বাংলাদেশ এবং জাপানের সম্পর্ক আরো জোরদার হবে।
















