মেঘনা ও তেতুলিয়ার নদীর পানি বিপদ সীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত

নাদিম হোসেন খান (ভোলা) চরফ্যাসন

ভোলার গুরুত্বপূর্ণ ২টি নদী মেঘনা ও তেতুলিয়ার পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত চার দিন যাবত ২৪ ঘন্টায় দুইবার জোয়ারের পানিতে ডুবে যাচ্ছে চরফ্যাশন উপজেলাধীন ঢাল চর, কুকরি মুকরি, চর পাতিলা, চর নিজাম, চর যতিন, সোনার চর, দাসেরহাট, জাহানপুর, মুজিবনগর সহ নদী সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলো। পানিতে তলিয়ে গেছে রাস্তা-ঘাট, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ন এলাকা। উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপ এবং পূর্নিমার প্রভাবে পানিবন্দি হয়ে পড়ছে এসব অঞ্চলের মানুষ।
শনিবার চরফ্যাশন পানি উন্নয়ন বোর্ড (ডিভিশন-২) কর্তৃপক্ষ জানান, দুপুরের পর থেকে মেঘনা ও তেতুলিয়া নদীর পানি বিপৎসীমার ৩১সেন্টিমিটার উপরে প্রবাহিত হয়েছে। এ কারণে উপজেলার নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়েছে। এখনো এসব এলাকায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

চরফ্যাশন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল নোমান জানান, সকল চরাঞ্চলসহ নদী সংলগ্ন এলাকাগুলোর উপর নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। যে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত আছি। ইতোমধ্যে কুকরি মুকরি ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবুল হাসেম মহাজন ও ঢাল চর ইউপি চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি আলোচনা করা হয়েছে বলেও জানান নির্বাহী কর্মকর্তা।

ভোলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী হাসান মাহমুদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ভারী বর্ষণ হয়েছে। ২০ মিলিমিটার বৃষ্টি রেকর্ড করেছে আবহাওয়া অফিস। এ অবস্থা আরও কিছুদিন বিরাজ করবে বলেও জানান তিনি।

Facebook Comments Box