খালগুলোকে স্থায়ীভাবে দখলমুক্ত করা হচ্ছে

জিরানি, মান্ডা, শ্যামপূর ও কালুনগর খাল নিয়ে যে প্রকল্প পাশ হয়েছে তার কাজ ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেন, আমরা এখন পূন্য রুপে খনন বর্জ্য অপসারণ এবং সীমানা চিহ্নিতকরণ কাজ চালাচ্ছি। বুধবার বংশালের নয়াবাজার এলাকায় গণশৌচাগার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মেয়র এ কথা বলেন।

খালের সীমানা চিহ্নিত করে বেষ্টনি দেয়া হবে উল্লেখ করে মেয়র আরো বলেন, পরবর্তীতে সেখানে হাটার পথ সাইকেল চালানোর পথ ও গণপরিসর সৃষ্টি করে সবুজায়ন করা হবে। এতে এলাকাবাসী একটি নান্দনিক পরিবেশ পাবে। আগামী ২ বছর মেয়াদে এ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে। এতে করে স্থায়ীভাবে খালগুলো দখলমুক্ত হবে।

প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণশৌচাগার স্থাপন করা হবে জানিয়ে মেয়র আরো বলেন, ঢাকায় এক কোটির উপরে মানুষ বসবাস করছে। এতে বিশেষ করে কর্মজীবি নারীদের জন্য গণশৌচাগার খুবই প্রয়োজন। ফলে প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে গণশৌচাগার স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আমরা প্রতিটি ওয়ার্ডে চাহিদা ও প্রয়োজনমত গণশৌচাগার স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছি উল্লেখ করে শেখ তাপস বলেন, এখন পর্যন্ত ৬টি গণশৌচাগার নির্মাণ করা হয়েছে। এছাড়া, আরো পাঁচটির কাজ চলমান রয়েছে। এছাড়া দীঘৃদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় অনেকগুলো গণশৌচাগার বন্ধ হয়েছিল এবং অনেকগুলো দখল হয়েছিল সেগুলোও দখলমুক্ত করে সংস্কার করে চালু করা হয়েছে। সংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ তাপস আরো বলেন, ঢাকা ওয়াসার কাছ থেকে হস্তান্তরের পর বাৎসরিক সূচি অনুযায়ী জানুয়ারি থেকে খাল ও নর্দমা থেকে বর্জ্য ও পলি অপসারণের কাজ চলমান রেখেছি। বর্ষায় আগেই এগুলো পরিস্কার করা হবে। এতে আশাকরি জলাবদ্ধতা অনেকটা দূর হবে।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, সচিব আকরামুজ্জামান, প্রধান প্রকৌশলী আশিকুর রহমান, ৪ নং অঞ্চলের আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আতাহার মিয়া, ৩২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. আবদুল মান্নান ১৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ইলিয়াছুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Facebook Comments Box