ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় তরুণদের সঙ্গে ভিভোর দৃঢ় সংযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক :

দেশব্যাপী বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতা ‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া’ সফলভাবে সম্পন্ন করেছে ভিভো বাংলাদেশ। ভিভো ভি৭০ এফই স্মার্টফোন ব্যবহার করে পরিচালিত এই হ্যান্ডস-অন মোবাইল ফটোগ্রাফি অভিজ্ঞতাভিত্তিক প্রতিযোগিতায় দেশের ১২টি সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ৪,০০০ শিক্ষার্থী নিবন্ধন করেন।

এই ক্যাম্পেইনের মূল উদ্দেশ্য ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ভিভো ভি৭০ এফই ফোনের ক্যামেরা সক্ষমতা ব্যবহারের সুযোগ করে দেওয়া এবং স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির মাধ্যমে তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি ফুটিয়ে তুলতে উৎসাহিত করা। ক্যাম্পাস অ্যাক্টিভিটি চলাকালীন অংশগ্রহণকারীরা এই ডিভাইসটি ব্যবহার করে প্রতিযোগিতার থিম অনুযায়ী ছবি তোলেন এবং তা ডিজিটাল কমিউনিটিতে শেয়ার করেন।

প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ছিল বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি, খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, লিডিং ইউনিভার্সিটি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়।

এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভিভো ভি৭০ এফই ব্যবহার করে ৩,৫০০-এরও বেশি ছবি তোলা হয়েছে এবং ৮০০-এরও বেশি পোস্ট শেয়ার করা হয়েছে ভিভো বিডি কমিউনিটি-তে । শিক্ষার্থীদের এই বিপুল সাড়া তরুণদের সৃজনশীলতা এবং ডিজিটাল আত্মপ্রকাশে স্মার্টফোন ফটোগ্রাফির ক্রমবর্ধমান ভূমিকারই প্রতিফলন।

এ প্রসঙ্গে ভিভো বাংলাদেশের প্রোডাক্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ম্যানেজার মো. জাহিদুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আমাদের সমাজের অন্যতম সৃজনশীল ও প্রাণবন্ত অংশ। ভিভো বাংলাদেশ বিশ্বাস করে, প্রযুক্তি মানুষের সৃজনশীলতাকে আরও বিকশিত করতে পারে। ‘দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে আমরা শিক্ষার্থীদের চারপাশকে নতুন দৃষ্টিতে দেখার, ফটোগ্রাফির মাধ্যমে অর্থবহ গল্প বলার এবং ভিভো ভি৭০ এফই-এর শক্তিশালী ২০০ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা ব্যবহার করে নিজেদের সৃজনশীলতা প্রকাশের অনুপ্রেরণা দিতে চেয়েছি।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী চৌধুরী সুপ্রতিক বড়ুয়া প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন নির্বাচিত হন এবং পুরস্কার হিসেবে একটি ভিভো ভি৭০ এফই স্মার্টফোন জিতে নেন। অনুভূতি প্রকাশ করে তিনি বলেন, “এই প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করা ছিল অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা। সারা দেশের এত প্রতিভাবান শিক্ষার্থীর মধ্যে বিজয়ী হওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। এই স্বীকৃতি আমাকে ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং বা ছবির মাধ্যমে গল্প বলা চালিয়ে যেতে অনুপ্রাণিত করবে। এমন একটি চমৎকার সুযোগ ও সমর্থনের জন্য আমি আয়োজক এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

রানার-আপ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের তানভীরুল আলম, উত্তরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তাহমিদ আলম, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুল্লাহ আল নোমান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আল-নোমান। প্রত্যেকে পুরস্কার হিসেবে জিতেছেন একটি করে রিরো স্মার্টওয়াচ ডাব্লিউ১এসই।

ভিভো ভি৭০ এফই-কে সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে ভিভো বাংলাদেশ সৃজনশীলতা, প্রযুক্তি এবং কমিউনিটি সম্পৃক্ততার মাধ্যমে তরুণ গ্রাহকদের সাথে একটি শক্তিশালী সংযোগ তৈরি করেছে। এই ক্যাম্পেইনটি আরও প্রমাণ করেছে যে কীভাবে স্মার্টফোনের উদ্ভাবনী প্রযুক্তি শিক্ষার্থীদের আধুনিক ভিজ্যুয়াল স্টোরিটেলিং-এ সহায়তা করতে পারে।

ভিভো প্রসঙ্গে

ভিভো একটি প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠান যা মানুষের চাহিদাকে প্রাধান্য দিয়ে স্মার্ট ডিভাইস ও ইন্টেলিজেন্ট সার্ভিসের মাধ্যমে পণ্য উৎপাদন করে। মানুষ আর ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করাই প্রতিষ্ঠানটির উদ্দেশ্য। অনন্য সৃজনশীলতার মাধ্যমে ভিভো ব্যবহারকারীদের হাতে যথোপযুক্ত স্মার্টফোন ও ডিজিটাল আনুষাঙ্গিক তুলে দিচ্ছে। প্রতিষ্ঠানের মূল্যবোধকে অনুসরণ করে ভিভো টেকসই উন্নয়ন কৌশল বাস্তবায়ন করেছে; সমৃদ্ধ ও দীর্ঘস্থায়ী বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠান হওয়াই যার ভিশন।

স্থানীয় মেধাবী কর্মীদের নিয়োগ ও উন্নয়নের মাধ্যমে শেনজেন, ডনগান, নানজিং, বেইজিং, হংঝু, সাংহাই, জিয়ান, তাইপে, টোকিও এবং সান ডিয়াগো এই ১০টি গবেষণা ও উন্নয়ন কেন্দ্রে (আরএন্ডডি) কাজ করছে ভিভো। যা স্টেট-অফ-দ্য-আর্ট কনজ্যুমার টেকনোলজির উন্নয়ন, ফাইভজি, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডিজাইন, ফটোগ্রাফি এবং আসন্ন প্রযুক্তির ওপর কাজ করে যাচ্ছে। চীন, দক্ষিণ ও দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় ভিভোর পাঁচটি প্রোডাকশন হাব আছে (ব্র্যান্ড অথোরাইজড ম্যানুফ্যাকচারিং সেন্টারসহ) যেখানে বছরে প্রায় ২০০ মিলিয়ন স্মার্টফোন বানানোর সামর্থ্য আছে। এখন পর্যন্ত ৬০টিরও বেশি দেশে বিক্রয়ের নেটওয়ার্ক আছে ভিভোর এবং বিশ্বজুড়ে ৪০০ মিলিয়নের বেশি ভিভো স্মার্টফোন ব্যবহারকারী রয়েছে।

Facebook Comments Box