বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করতে জনবল বৃদ্ধি, আধুনিক অস্ত্র ও সরঞ্জাম সংগ্রহ, সীমান্তে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি জোরদার এবং মাদক দমনে ডগ স্কোয়াডের সক্ষমতা কাজে লাগানোর বিষয়ে একাধিক নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বিজিবির হাসপাতালের সক্ষমতা বৃদ্ধি, চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ এবং অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে আটকে থাকা বিষয়গুলো দ্রুত নিষ্পত্তিরও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
সোমবার পিলখানায় অবস্থিত বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর এই প্রথম বিস্তারিত তথ্য জানার জন্য বিজিবি সদর দপ্তর পরিদর্শনে এসেছি। বিজিবির বিভিন্ন কার্যক্রমে আমাদের মডেলের আউটপুট কী, আমাদের কী কী সফলতা আছে— তা জেনেছি। এ ছাড়া, বিজিবির কয়টা সেক্টর আছে, কয়টা ব্যাটালিয়ন ও জনবল আছে, সেসবও জেনেছি। কী চাহিদা আছে, প্রযুক্তিগত কী কী উন্নয়ন প্রয়োজন, প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে সীমান্তে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারি এবং ইনফরমেশন আমরা কালেক্ট করতে পারি— এ বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ এবং মাদকদ্রব্য যাতে দেশে প্রবেশ করতে না পারে বা করলেও আমরা যাতে এটা ধরতে পারি, এ বিষয়ে বিজিবির বিশাল ভূমিকা রাখা সম্ভব। তাছাড়া বিজিবির ডগ স্কোয়াডকে আমরা কীভাবে কাজে লাগাতে পারি, তা আলোচনা করেছি।
তিনি বলেন, বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করার জন্য জনবল বৃদ্ধি, যানবাহন, বিভিন্ন ইকুইপমেন্ট সংগ্রহ করা, অস্ত্র সংগ্রহ করা— এগুলোর বিষয়ে আমরা বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এগুলো বিজিবিকে আরও শক্তিশালী করবে। দুর্যোগ মোকাবিলায় সাম্প্রতিক বন্যায় বিজিবি ভালো কার্যক্রম করেছে। ত্রাণ সামগ্রী যেখানে পৌঁছানোর সম্ভব নয়, সেখানে পৌঁছিয়েছে। উদ্ধার কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছে। এগুলো দেশব্যাপী খুবই প্রশংসিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বিজিবি সীমান্ত পাহারার বাইরেও যেসব কার্যক্রম করে থাকে, সেগুলো যাতে আরও বাড়ানো যায় এবং জনসম্পৃক্ত অন্যান্য কার্যক্রমের মাধ্যমে আমরা যেন বিজিবিকে আরও বেশি শক্তিশালী করতে পারি— সেই সিদ্ধান্তগুলো আমরা আজ প্রাথমিকভাবে নিয়েছি। প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ, হাসপাতালের শক্তি বৃদ্ধি, চিকিৎসক নিয়োগসহ বিভিন্ন প্রয়োজন সম্পর্কে আমরা জানতে পেরেছি। এগুলো আমরা দ্রুততার সঙ্গে নিষ্পত্তি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
















