অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বালুখেকো হিসাবে আলোচিত চাঁদপুর আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা ও লক্ষ্মীপুর মডেল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সেলিম খানের কাছ থেকে চার বছর ধরে বালু তোলার রাজস্ব হিসাব করে তা আদায়ের নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
এর আগে গত ২৯ মে সেলিম খানকে মেঘনার ডুবোচর থেকে বালু উত্তোলন করার অনুমতি দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় বাতিল করে দিয়েছে আপিল বিভাগ।
সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ১৬ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায়টি প্রকাশ করা হয়। সেখানে চাঁদপুর জেলা প্রশাসককে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব নির্ধারণ করে আদায় করতে বলেছে সর্বোচ্চ আদালত।
এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান বলেন, আপিল বিভাগ চাঁদপুরের ডিসিকে সেলিম খান থেকে সরকারের প্রাপ্য রাজস্ব নির্ধারণ করে টাকা আদায়ের নির্দেশনা দিয়েছেন।
দীর্ঘদিন ধরে মেঘনা থেকে বালু উত্তোলন এবং চাঁদপুরের বিশ্ববিদ্যালয়ের জমি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে আসা সংবাদে ব্যাপকভাবে আলোচিত হন ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খান।
লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতিও ছিলেন তিনি। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পর দলের শৃঙ্খলা ভঙ্গ, গঠনতন্ত্র বিরোধী কার্যকলাপ, দলের দুর্নাম কৃড়ানোসহ বিভিন্ন অভিযোগে গত ৫ জুন তাকে বহিষ্কার করা হয়।
গত ১ আগস্ট তার বিরুদ্ধে ৩৪ কোটি ৫৩ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।














