মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলায় পরকীয়া প্রেমের সন্দেহের জেরে স্ত্রীর ছুরিকাঘাতে স্বামীর মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন নিহতের স্ত্রী হাসনা বেগম।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) ভোর ৫টায় উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধল্লা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম। নিহত রাশেদুল উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধল্লা গ্রামের মৃত সুরমান আলীর ছেলে।
অন্যদিকে মোছা. হাসনা বেগম (৩৬), লালমনিরহাট জেলার হাতীবান্ধা থানাধীন দইখাওয়া এলাকার মো. বারেকের মেয়ে। প্রায় দেড় যুগ আগে রাশেদ ও হাসনা বেগম বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।
জানা যায়, রাশেদুলের স্ত্রী হাসনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে স্বামীর পরকীয়ায় জড়িত থাকার বিষয়ে সন্দেহ করে আসছিলেন। এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার ভোরে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে হাসনা বেগম ধারালো ছুরি দিয়ে রাশেদুলের পেটে আঘাত করেন। এতে তার পেটের নাড়িভুঁড়ি বের হয়ে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা রাশেদুলকে উদ্ধার করে অটোরিকশাযোগে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর হাসনা বেগম ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি ঘটনাস্থলে রেখে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় সিংগাইর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ, ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার ও ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিষয়ে জানতে তদন্ত করছে পুলিশ।
সিংগাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বলেন, মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পরেই হাসনা বেগম পালিয়ে যাওযায় তাকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
















