প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস’ পালন করবে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়। তবে এ বছর ফেব্রুয়ারি মাস চলে যাওয়ায় আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর এ দিবসটি পালন করা হবে। জনসচেতনতা তৈরি এবং স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে এ দিবস পালন করার উদ্যোগ নেয়া হয়।
বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। এসময় মন্ত্রী বলেন, প্রতিবছর ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস পালন করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। দিবসটি যথাযথভাবে পালন করতে সাাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্টদের সহযোহিতা কামনা করেন মন্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমি যদি বাতাসেই মশাটি মেরে দিই, তাতে সব কীট-পতঙ্গ মরে যাবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, তাতে মানুষের ক্ষতি হবে। আমরা তো এটি করতে পারি না। হয়ত এমন স্প্রে করে দিতে পারবো যে সারা বছর আর মশা আসবে না, কিন্তু মানুষ মরে যাবে।
এ ব্যাপারে আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। মশা মারার দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের একার না উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, মশা মারার ব্যাপারে আমরা এবং জনগণ; আমরা একা না। নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের। আমরা জনগণকে সম্পৃক্ত করে এই কাজটা করি এবং করছি। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে উদ্যোগ ও আন্তরিকতার কোথাও ঘাটতি নেই।
মন্ত্রী বলেন, আমরা জনপ্রতিনিধিদের খালি গালি দেব। জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বটা কী? আর না করলে তাকে সব সময় জবাবদিহিতার ভেতরে নিয়ে আসা; এ রকম একটা ব্যবস্থা মনে হয় আমাদের করলে, জনপ্রতিনিধিরা কিন্তু সারা পৃথিবীতে দেশের পরিবর্তন করেছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একজন মেম্বার তিন হাজার লোকের প্রতিনিধিত্ব করে। এখানে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে তার সঙ্গে কাজ করে প্রায় ৩০০-৪০০ লোক, প্রতিটি ওয়ার্ডে। কোনো না কোনোভাবে করায়।
ওরা দুর্যোগ, দুঃসময়, দুর্দিন, বিপদে-আপদে করে। ওদের জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে আবার কিছু সংখ্যক ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকতে পারে! তিনি বলেন, এখন এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। বর্ষাকালের পরে এডিস মশা থাকে না, মানে খুবই কম থাকে। পাঁচ থেকে ১০ জন আক্রান্ত হতে পারে মাসে। জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত আমরা মশা মারার কার্যক্রম চালাই।















