প্রস্তাবিত বাজেটকে গণমুখী ও গরিববান্ধব দাবি করে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেছেন, বাজেটের সমালোচকদের সমালোচনা বরাবরের মতোই গৎবাঁধা ও গতানুগতিক। অনেকে বাজেট ভালোভাবে না দেখেই তাড়াহুড়া করে সমালোচনায় ব্যস্ত।
আজ শুক্রবার রাজধানীর মিন্টো রোডের সরকারি বাসভবনে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, এবারের বাজেটে স্বাস্থ্য, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানো হয়েছে।
এ অর্থবছর থেকেই সর্বজনীন পেনশন ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। কোনো রাজনৈতিক দল দাবি জানায়নি, সরকার নিজে থেকেই এটা করছে।
মন্ত্রী বলেন, সারা বিশ্বে ২০টি দেশে ইতিবাচক জিডিপি প্রবৃদ্ধি হয়েছে, এর মধ্যে বাংলাদেশ রয়েছে। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি ৮-৯ হলেও ভবিষ্যতে মূল্যস্ফীতি ৬ শতাংশের মধ্যে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।
সিপিডির সমালোচনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিবারই বাজেট ঘোষণার পরপরই তারা বিভিন্ন কথা বলে। এ বছর বাজেট ঘোষণা চলমান অবস্থায় তারা বলেছে, এই বাজেট উচ্চাভিলাষী, বাজেট বাস্তবায়ন হবে না।
সমালোচনা করেই সিপিডি তাদের ফান্ড কালেকশন করে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পাণ্ডিত্য দেখানোর জন্য সিপিডি সব সময় বাজেটের ভুল ধরে। এই সংস্থাটি গত ১৪ বছরে কোনো বাজেটের প্রশংসা করেনি।
হাছান মাহমুদ বলেন, টানা ১৫তম বাজেট পেশ করেছে আওয়ামী লীগ। আর সরকারের বাজেট বাস্তবায়নের হার ৯৭ ভাগ, তাই মানুষের আয় বেড়েছে। দরিদ্র মানুষের সংখ্যাও কমেছে। ইউক্রেন যুদ্ধ ও ডলার সংকটের কারণে এবারের বাজেটে চ্যালেঞ্জ ছিল। এর পরও গত বছরের তুলনায় বাজেটের আকার বেড়েছে।
সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ে জোর দেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।















