বীর মুক্তিযোদ্ধা ও দেশের প্রতিথযশা স্থপতি মোবাশ্বের হোসেনের মহাপ্রয়াণে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম বাংলাদেশ (ইউডিজেএফবি) গভীর শোকাহত।
নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অমিতোষ পাল এবং সাধারণ সম্পাদক সোহেল মামুন সোমবার এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবার, নিকটাত্মীয়, গুণগ্রাহী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
শোকবার্তায় ইউডিজেএফবি’র সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘দেশের স্থাপত্য শিল্পে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন এর অবদান অসামান্য এবং অনস্বীকার্য। তিনি বাঙালী জাতির গর্বিত সন্তান। তিনি তাঁর মেধা ও মনন দিয়ে স্থাপত্য শিল্প সমৃদ্ধ করেছেন।
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বাংলাদেশ স্থপতি ইনস্টিটিউট (বাস্থই) এর সাবেক সভাপতি। একইসাথে তিনি জীবদ্দশায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ, এবং পরিবেশ আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছেন। তিনি, ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাবেক পরিচালক ও ব্রাদার্স ইউনিয়ন ক্লাবের সাবেক সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের ক্রীড়া ক্ষেত্রেও তিনি অসামান্য অবদান রেখেছেন। আমরা একজন প্রতিভাদীপ্ত স্থপতি এবং অসাধারণ দেশপ্রেমিক হারালাম।
এছাড়া, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস শোক জানিয়েছেন। এক শোকবার্তায় শেখ তাপস বলেন, সুপরিকল্পিত নগরায়নে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ছিলেন। ঢাকাকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন অনবদ্য ভূমিকা রেখেছেন।
মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন দেশের স্থাপত্য শিল্পে অসামান্য অবদান রেখে গেছেন। তিনি ছিলেন জাতির গর্বিত সন্তান। তিনি তাঁর মেধা ও মনন দিয়ে স্থাপত্য শিল্প সমৃদ্ধ করেছেন। নাগরিক অধিকার আদায় ও পরিবেশ আন্দোলনসহ বিভিন্ন বিষয়ে সোচ্চার ছিলেন তিনি। এছাড়া বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে শোক জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য, রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে রাজধানীর শ্যামলীস্থ বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। তিনি বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন।















