ঈদুল ফিতরের বিশেষ নাটক “ঈদল ফেতর”

নার্গিস আক্তার

রচনা: জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম
চিত্রনাট্য : আবুল হায়াত
কাহিনী সংক্ষেপ :
রমজানের রোজার শেষে আসছে খুশির আর আনন্দের ঈদুল ফেতর। এক মুসাফির ফকির বাবা বেরিয়েছেন ফেতরা আদায়ে। মুখে তার আল্লাহর প্রশান্তির গান। সব জায়গায় ফেতরা মিললেও এলাকার দাম্ভিক জমিদার তাকে ফিরিয়ে দিলেন। এই অজুহাতে যে তিনি – আল্লাহর নামে রোজা রাখেন, নামাজ পড়েন, হজ্ব করেন কিন্তু ফেতরা দেন না। কারণ তিনি এর প্রয়োজন বোধ করেন না। ফকির বাবা তাঁকে অনেক বোঝালেন – এটা দিতেই হবে নইলে আল্লাহ পাক তাঁর রোজা কবুল করবেন না। জমিদার তা মানতে রাজি নন। দুজনের কঠিন বাহাস হয় এ নিয়ে।খালি হাতেই বিদায় নিতে হয় ফকিরকে।

ঈদের দিন ভোরে গোসল করতে যায় জমিদার পুত্র সালাহউদ্দিন । তারপর সে নিখোঁজ। জমিদারের একমাত্র পুত্র হারিয়ে যাওয়ায় সারা এলাকা তোলপাড় করে তোলেন তিনি এবং যথাসময়ে আবির্ভাব হয় ফকির বাবার। জমিদার এবার তার পরে পড়ে ক্ষমা চান এবং পুত্রকে ফেরত ভিক্ষা চান। ফকির বলেন ক্ষমা চাইবেন আল্লাহ রাব্বুল আল-আমিনের কাছে। তাই করেন জমিদার এবং জমিদার বুঝতে পারেন নামাজ রোজার পাশাপাশি পার্থিব সম্পদ ও সম্পত্তি সৎ কাজে ব্যয় করতে হবে আল্লাহ তায়ালার আদেশের কথা মনে রেখে।

কারণ দান-খয়রাতে আত্মা পরিশুদ্ধ হয়, ফলে জমিদার তাঁর পার্থিব সম্পদ ও সম্পত্তি একমাত্র পুত্রের বিনিময়ে গরীব অসহায় মানুষদের বিলিয়ে দিবেন বলে অঙ্গীকার করেন। এক সময় পুত্র ফিরে আসেন বাবা মায়ের কোলে। ঈদের খুশি ছড়িয়ে পড়ে চতুর্দিকে- ও মন রমজানেরই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ……নাটকটি প্রযোজনা করেছেন বাঁশরী-একটি নজরুল চর্চা কেন্দ্র। নির্দেশনা – মাসুদ চৌধুরী । বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন: শতাব্দী ওয়াদুদ, আজাদ আবুল কালাম, দীপা খন্দকার, শফিক খান দিলু, ফাহমিদা ত্রিশা, তারিকুজ্জামান তপন, বিমল ব্যানার্জি, শিশুশিল্পী সুশময় প্রমুখ।। নাটকটি এটিএন বাংলায় ঈদের চাঁদ রাত ০৭.৫০ মিনিটে প্রচারিত হবে।

Facebook Comments Box