ঝিনাইদহে দাড়িয়ে থাকা ট্রাকের সাথে লেগুনার ধাক্কায় মা রাসুলা বেগমের (৫৮) মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বড় মেয়ে রোজিনা বেগমসহ আরো ৭ নারী আহত হয়েছেন। হতহতরা সবাই স্থানীয় একটি জুট মিলের শ্রমিকের কাজ করত। আহতরা হলো জামেন বেগমা, নুর নাহার, জাহিদা বেগম, ছবিরন নেছা ও রেখা বেগম। আহতদের ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। নিহত রাসুলা বেগম জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বড়-সিমলা গ্রামের কওসার খন্দকারের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার ভোর সাড়ে ৫ টার দিকে কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সে ভবনের সামনে এ সড়ক দুর্ঘটনা ঘটে।
বৃহস্পতিবার দুপুর ১২ টার দিকে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাসুলা মারা যান। নিহতের ছোট মেয়ে পপি বেগম জানান, ভোরে কালীগঞ্জ মেইন বাসস্টান্ড থেকে লেগুনাতে করে মা, বোনসহ ৮ জন নারী ঝিনাইদহ আসছিলেন। কিছুদুর এগোতেই তারা দুর্ঘটনার স্বীকার হয়। এতে তার মা মারা যান আর বোন আহত হন। কান্না বিজড়িত কন্ঠে পপি বলেন, বাবা নেই, মাও চলে গেলো। আমরা এতিম হয়ে গেলাম, দেখার মত কোন অভিভাবক থাকলো না। কালীগঞ্জ থানার ওসি মাহবুবুর রহমান খবর নিশ্চত করেন।
















