ডেঙ্গু মোকাবিলায় সব পদ্ধতি আমলে নিয়ে কর্মপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে

ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে সব পদ্ধতি আমলে নিয়ে কর্মপরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম এমপি। মন্ত্রী বলেন, আমরা ২০১৯ সাল থেকে মূলত ডেঙ্গুর তীব্রতা এবং এর প্রভাব প্রত্যক্ষ করছি। বৃহস্পতিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) কর্তৃক আয়োজিত ‘মিট দ্য রিপোটার্স’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় মন্ত্রী এ কথা বলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ শুকর আলী শুভ অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন।

সিঙ্গাপুর, মালেশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা এবং ভারতও অনেক আগে থেকে ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, আমরা যেহেতু পরে আক্রান্ত হয়েছি, কাজেই আমাদের সুযোগ ছিল এসব দেশের কাছ থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করার। আমরা সেটা করেছি। এছাড়াও, ইতোমধ্যে আমি আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকেও তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করেছি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় যেমন সিংগাপুর ইউনিভার্সিটি, মিয়ামি ইউনিভার্সিটি, অস্ট্রেলিয়ার মোনাস ইউনিভার্সিটির সাথে ভার্চুয়ালি সভাও করেছি। মোটকথা, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে একটি বিস্তৃত প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

সাংবাদিকেরা বিভিন্ন উৎস থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে বিভিন্ন মাধ্যমে সেটা বিতরণ করেন উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, তাতে করে আমরা যারা দায়িত্বে আছি, তারা সতর্ক হওয়ার একটা সুযোগ পাই। ভুল ত্রুটি নিরূপণ করার একটা সুযোগ পাই। কখনো কখনো হয়তো বিভিন্ন খবরাখবর এমনভাবে উপস্থাপন হয়, যা অতিরঞ্জিত। যেখানে হয়তো সত্য তথ্যকে বিকৃত করে উপস্থাপন করে। এরকম বিষয়কে আমরা নিরুৎসাহিত করি। আমি মনে করি, সাংবাদিকদের পক্ষ থেকেও এরকম বিষয়গুলোতে একটা ব্যবস্থাপনা থাকা উচিত। কিন্তু সাংবাদিকদের নিয়ন্ত্রণ করার আমি পক্ষপাতী নই। রাষ্ট্র পরিচালনায় সাংবাদিকদের অপরিহার্যতা সম্পর্কে উল্লেখ করতে গিয়ে মন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় যেমন রাজনীতিবিদদের প্রয়োজন আছে, ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার, আমলার প্রয়োজন আছে, ঠিক তেমনি সাংবাদিকদেরও প্রয়োজন আছে। ভুল,ত্রুটি এবং বিচ্যুতি পরিহার করে, আমি সাংবাদিকতার উন্মুক্ত ব্যবহারকে স্বাগত জানাই।

Facebook Comments Box