সুবিচার ও দ্রুত অপসারন চেয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে আবেদনভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি, অসামাজিক কর্মকাণ্ড এবং সেবাগ্রহিতাদের গালিগালাজ ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। মাস্তান ও গুন্ডা বাহিনী দিয়ে দুর্নীতির রাজ্য নিয়ন্ত্রণ করেন তিনি। তার এই দুর্নীতি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে রেহাই পেতে অবিলম্বে তাকে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে অপসারণ এবং সুবিচার কামনা করে আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছেন এক ভুক্তভোগী। এলাকার সাধারণ জনগণের পক্ষে দৈনিক সংবাদ সকাল পত্রিকার লালমোহন উপজেলা প্রতিনিধি মাহমুদ হাসান লিটন এই আবেদনে স্বাক্ষর করেন।
মন্ত্রণালয়ের সবিচ বরাবর গত ২৪ এপ্রিল জমা দেয়া আবেদনে তিনি বলেন, ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার সাব রেজিস্ট্রার রফিকুল ইসলাম ইতি পূর্বে লালমোহন সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে চাকরির সময় বিভিন্ন অনিয়ম করে রাজনৈতিক ব্যক্তিসহ বিভিন্ন মহলের লোকজনকে মাসিক মাসোহারা দিয়ে এক দুর্নীতির রাজ্য তৈরি করেন। তার রয়েছে বিশাল মাস্তান- গুন্ডা বাহিনী। লাগামহীন এ রাজ্য দখলের জন্য সাব-রেজিস্ট্রার পুনরায় বদলি হয়ে এসছেন লালমোহনে। বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে আগের তুলনায় বেশি ঘুষ দাবি করে বলেন- এবার বদলি হতে তিনি যে টাকা খরচ করে এসেছেন তা এখনো তোলা শেষ হয়নি। তিনি তার অফিসে আসা লোকজনের সঙ্গে চরম দুর্ব্যবহার করেন, এমনকি অশালীন ভাষায় গালিগালাজ করতেও দ্বিধাবোধ করেন না।
গত ৩১ জানুয়ারি বিভিন্ন পত্রিকা সহ প্রায়ই তার বিরুদ্ধে পত্রিকায় নিউজ হয় তা দেখার যেন কেউ নেই। ওই সাব-রেস্ট্রার অফিস কক্ষে রাত্রিযাপন করে গভীর রাতে অফিসেই বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে যান বীর দর্পে। সরকারি ভবেনে অবস্থান করেও সরকারকে দিচ্ছেন না বাড়ী ভাড়া। সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে সেবা নিতে আসা সংবাদকর্মীরাও তার ঘুষ দুর্নীতি হতে রেহাই পাচ্ছেন না। সমাজের যে কোন পেশার মানুষ সমাজকর্মীসহ গন্যমান্য সবার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন সাব-রেজিস্ট্রিার রফিকুল ইসলাম। সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার সময় সরকারি কর্মকর্তা হয়ে সরকারের মিশন-ভিশনের বিরুদ্ধে তার অবস্থান। সরকারের ভাবমুর্তি রক্ষার স্বার্থে তার দুর্নীতির সুবিচার করত: দ্রুত লালমোহন সাব-রেজিস্ট্রি অফিস হতে অপসারন করা এখন সময়ের দাবি। অভিযোগের বিষয়টি অবগতি ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবেদনের কপি ঢাকার নিবন্ধন অফিসের মহা-পরিদশক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আইন মন্ত্রীর একান্ত সচিব বরাবর পেশ করা হয়েছে।
















